থানার সিসিটিভি নিয়ে রিপোর্ট নিক কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন, চাইছেন গনতন্ত্র প্রেমী ভোটাররা

লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার থেকে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ১০০ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান নামছেন। মূলত আসন্ন লোকসভায় ভোটারদের ভীতি কমাতে। সর্বপরি অবাধ এবং সুস্ট নির্বাচনের স্বার্থে। প্রত্যেকবারের কেন্দ্রীয় বাহিনী স্থানীয়গত পরিচালনায় গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সংশ্লিষ্ট থানা। ইতিমধ্যেই রাজ্যসরকার পুলিশের মধ্যে আইসি / ওসিদের প্রায় বদলী করেছে। যারা একই মহকুমা এলাকায় তিন বছরের বেশি সময়কাল থেকেছেন তাদের কে বদলী করা হয়েছে জেলারই অন্য মহকুমার থানাগুলিতে। ভোটপর্ব শুরুতেই থানার কোথাও অতিসক্রিয়তা আবার কোথাও চরম নিস্ক্রিয়তা চোখে পড়ে। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে তপ্ত হয় রাজনীতির বলয়। খুনের মামলায় ওয়ারেন্ট আসামি দিব্যি ঘুরে বেড়ায়, আবার কোথাও জামিনযোগ্য ধারায় মামলায় অভিযুক্তদের পুলিশি সন্ত্রাসের মুখে পড়তে হয়। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে পৌঁছাতে পারে অল্প সংখ্যক ভুক্তভোগী। তবে কমিশন অত্যন্ত দ্রুততায় অভিযোগের রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়। ঠিক এইরকম পরিস্থিতিতে, ভোটারদের বড় অংশ চাইছেন – জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিটি থানার সিসিটিভি ব্যবস্থা কতটা বাস্তব সম্মত তা খতিয়ে দেখুক কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। একাধারে ভোটারদের শাসকদলের পুলিশি সন্ত্রাস যেমন কমবে, ঠিক তেমনি কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিচালনার ক্ষেত্রে পরোক্ষভাবে সুবিধা পাবে কমিশন কর্তৃপক্ষ। যেখানে কমিশন বাহিনীর টহলকারী নিয়ে পুরো ভিডিওগ্রাফি চাইছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার বেশকিছু থানার ভূমিকা নিয়ে বরাবর বিস্তর প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে। কখনো লকয়াপে মারধর , আবার কোথাও ডিউটি অফিসারের রুমে মানসিক হেনস্থা। এইবিধ নানান অভিযোগে তপ্ত হয়েছে পূর্বস্থলী থানা।এমনকি গাঁজার মত মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার জন্য বর্ধমান সদর আদালতে এসিজেম একদা বর্ধমান সদর থানার সিসিটিভি নিয়ে ভৎসনাও করেছেন। তাই অবাধ এবং সুস্ট নির্বাচনের স্বার্থে থানার সিসিটিভি নিয়ে বাস্তব সম্মত রিপোর্ট নিক কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। তা চাইছেন গনতন্ত্র প্রেমী ভোটাররা। থানার সেন্ট্রি, ডিউটি অফিসার, হাজতখানা, সাব ইন্সপেক্টর রুম গুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকার নির্দেশিকা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.