চৈতন্য ভক্তদের পরিক্রমা পূর্ব বর্ধমান ও নদীয়ায়

ক্রীড়া সংস্কৃতি


দীপঙ্কর চক্রবর্ত্তী,


ফাল্গুন মাস পড়তেই শুরু হয়ে গেছে দোল উপলক্ষে নদীয়া ও পূর্ব বর্ধমানের বিভিন্ন এলাকায় চৈতন্য ভক্তদের পরিক্রমা।নদীয়ার নবদ্বীপ,মায়াপুর, নৃসিংহতলা,পূর্ব বর্ধমানের নিমতলা,বদ্যানগর,জাহান্নগর,মাগনপুর,বড়গাছী,কাটোয়া,শ্রীখন্ড,যাযীগ্রাম, অগ্রদ্বীপ সহ প্রভৃতি চৈতন্য বিরচিত স্হানে হাজার হাজার দেশী,বিদেশী হাজার হাজার পুরুষ মহিলা ভক্ত পায়ে হেঁটে পরিক্রমা করেন।এই রোদ উপেক্ষা করে কয়েকশো মাইল পথ পরিক্রমায় ভারতীয় ও বিদেশী ভক্তরা দোল পর্যন্ত বিভিন্ন মঠ,মন্দীর ও দর্শনীয় স্হান পরিক্রমা করেন।নবদ্বীপ,মায়াপুর, নৃসিংহতলা পেড়িয়ে পূর্ব বর্ধমানের সমুদ্রগড়,নিমতলার গৌড়গদাধর আশ্রম,দোলতলা,বিদ্যানগরে গঙ্গানন্দপুর মহাপ্রভুর বাল্যশিক্ষারর স্হান,মাগনপুর,জাহান্নগরের পর কাটোয়ায় মহাপ্রভুর দীক্ষাস্হান সহ বিভিন্ন স্হান পরিক্রমা করেন সকল ভক্ত।চৈতন্য সখা নিত্যানন্দের দ্বাদশ পুরুষ তথা নবদ্বীপ বলদেব মন্দীরের প্রধান জীবনকৃষ্ন গোশ্বামী বলেন নবদ্বীপ বলতে নয়টি দ্বীপের সমষ্টি।ভাগীরথীর পূর্বপাড়ে অন্তদ্বীপ,মধসান্তদ্বীপ,গোদ্রুমদ্বীপ,মধ্যদ্বীপ,পশ্চিমপাড়ে কোলদ্বীপ,ঋতুদ্বীপ,জাহ্নদ্বীপ,মোদদ্র্ুমদ্বীপ,রুদ্রদ্বীপ।পশ্চিমপাড়ে রুদ্রদ্বীপের কিছুটা অংশ নেই।বাকি অংশের পশ্চিম দিকে দিয়ে ভাগীরথী প্রবাহিত।এই বংশের রতনকৃষ্ন গোশ্বামী যিনি ভারত,বাংলাদেশ,আমেরিকা,ইংল্যান্ড প্রভৃতি স্হানে ভাগবৎ পাঠ করে চলেছেন,এবং কিশোর কৃষ্ন গোশ্বামী বলেন ভক্তরা দোলের আগে থেকেই শ্রীকৃষ্ন ও মহাপ্রভুর স্মৃতিবিজরিত স্হানে পরিক্রমায় অংশ নেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.