জেআইএস বস রেক্সরথ সেন্টার অফ এক্সেলেন্স অনুস্টান হয়ে গেলো

ক্রীড়া সংস্কৃতি

রাজকুমার দাস:–

স্নাতক স্তরের পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণের চাহিদা বাড়ছে। বিভিন্ন উপায়ে তাঁদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তবে এই চাহিদা দেখিয়ে দিচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিল্প সংস্থার মধ্যে সমণ্বয়ের ঘাটতি যেন থেকে যাচ্ছে। আর এখানেই এগিয়ে রয়েছে জেআইএস–র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। তারা বরাবর প্রশিক্ষণে জোর দিয়ে এসেছে। যাতে শিল্প সংস্থা দক্ষ কর্মী পেতে পারে। শিল্প সংস্থার কী দরকার সে ব্যাপারে তারা নিয়মিত খোঁজখবর করে। এবং সেই মতো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করে। আর এই কাজ আরও দক্ষভাবে করতে জেআইএস গোষ্ঠীর অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নারুলা ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি (‌এনআইটি)‌ এক উৎকর্ষ কেন্দ্র খুলছে। নাম ‘‌জেআইএস–বস্‌–রেক্সরথ সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’‌। ‌এনআইটি ক্যাম্পাসে ১১ মার্চ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয় আগারপাড়াতে।

সভায় প্রধান বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জার্মানির কনসুলেট জেনারেল মাইকেল ফেইনার, জেআইএস গোষ্ঠীর ম্যানেজিং ডিরেক্টর সর্দার তরণজিৎ সিং, জেআইএস গোষ্ঠীর ডিরেক্টর সিমরপ্রীত সিং, নারুলা ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজির অধ্যক্ষ মৈত্রেয়ী রায় কাঞ্জিলাল, বস্‌ রেক্সরথ ইন্ডিয়া লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার ধীরেন্দ্র গান্ধী।

জেআইএস গোষ্ঠীর ম্যানেজিং ডিরেক্টর সর্দার তরণজিৎ সিংয়ের কথায়, ‘‌শিল্প সংস্থার দরকার দক্ষ কর্মী। তারা দক্ষ কর্মী পেলে কাজের অনেক সুবিধে হয়। আর তাই আমরা জার্মানির বস্‌–রেক্সরথের মতো সংস্থার সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কাজ শুরু করা উৎকর্ষ কেন্দ্রে একদিকে যেমন থাকবে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, তেমনই এটা শিল্প, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিশিষ্টজন, শিক্ষা গবেষক, এবং উৎপাদকদের এক জায়গায় নিয়ে আসতে পারবে। এক মঞ্চে তারা নিজেদের ভাবনাচিন্তার আদানপ্রদান করতে পারবেন। এম টেক, বি টেক, আর ডিপ্লোমা স্তরে পড়ুয়ারা এখান থেকে অনেক সুবিধে পাবেন বলে আশা করি। কর্মক্ষেত্রেও তাদের অনেক সুবিধে হবে।’‌

এক কোটি টাকা মূল্যের যন্ত্র কেনা হচ্ছে। যার মধ্যে হাইড্রোলিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং বায়ুসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা রয়েছে। ক্লাসরুম, ভার্চুয়াল, ই–পাঠ, যন্ত্রের ব্যবহার, অ্যানিমেশন, অটোমেশান স্টুডিও, শিল্প সংস্থা পরিদর্শন, হাতে–কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।

‘‌বস্‌ রেক্সরথ এবং অন্যান্য শিল্প সংস্থা তাদের বিশ্বব্যাপী উৎপাদন ও উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষিত কর্মীর প্রয়োজন। এই উৎকর্ষ কেন্দ্র বিদ্যমান ফাঁক পূরণে কাজ দেবে বলে মনে করি। রেক্সরথের মতো শিল্প সংস্থা অন্য শিল্প সংস্থা থেকে নতুন জিনিস, উদ্ভাবন এবং এখনকার প্রবণতার ব্যাপারে বাকিদের পরিচয় করিয়ে দিতে পারবে। এটি পড়ুয়া, নবীন শিক্ষার্থী, প্রযুক্তিবিদ, কর্মীদের কাছে বর্তমান প্রযুক্তির ব্যাপারে জানাতে পারবে। বিভিন্ন প্রযুক্তির ব্যাপারে প্রশিক্ষণ পেয়ে সে ব্যাপারে দক্ষতা, কর্মসংস্থানের যোগ্যতা বাড়বে এবং শিল্পোদ্যোগে উৎসাহ পাবে।’‌ এ কথা বলেন নারুলা ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজির অধ্যক্ষ মৈত্রেয়ী রায় কাঞ্জিলাল|

Leave a Reply

Your email address will not be published.