খেলার মাঠই সব ধর্মের মিলনস্থল, বললেন প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি

ক্রীড়া সংস্কৃতি

খেলার মাঠই সব ধর্মের আসল মিলন ক্ষেত্রঃ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সভাপতি

বসিরহাটঃ শিক্ষায় মন চর্চার পাশাপাশি শরীর চর্চাটাও জরুরী। একটি শিশুর লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলোয়ও তার সাফল্য এনে দিতে পারে। সুন্দরবন সংলগ্ন সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় বসিরহাট মহকুমার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে পড়ুয়াদের বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে এমনই বক্তব্য তুলে ধরেন বিশিষ্ট জনেরা। ক্রীড়া অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাত। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণা ও উন্নয়নের সুবাদে প্রাথমিক পড়ুয়াদের সুন্দরবন এলাকাতেও এই ক্রীড়ায় আজ এত জাকযমক। যা গত ৩৪ বছরে দেখা যায় নি। বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এই সময়ে ধর্ম নিয়ে বিভেদের রাজনীতিতে মেতে উঠলেও কিন্তু খেলার মাঠে আমরা সবাই যাই। এটাই সব ধর্ম সম্প্রদায়ের আসল মিলন ক্ষেত্র। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে পর্ষদ সভাপতি জানান,ক্রীড়া পরিচালনায় রাজ্য স্তরে আমরা পাঁচ কোটি টাকা ব্যয় করেছি। চক্রস্তর পর্যন্ত পর্যাপ্ত অর্থ আমরা হয়ত দিতে পারে নি। তবে রাজ্যের ১ লক্ষ ৮০ হাজার শিক্ষক যেভাবে এই ক্রীড়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ভুমিকা নেন তা প্রশংসার যোগ্য। এলাকার সমাজসেবী সহ সর্বস্তরের মানুষ এগিয়ে আসেন বলেই শিশুদের এই ক্রীড়ায় এত ভিড়। তবে আগামীতে আমরা আর্থিক অনুদান বাড়ানোর ব্যবস্হা করব। ক্রীড়ার অন্যতম উদ্যোক্তা ও প্রধান অতিথি সেখ সাজাহান ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের শিক্ষা ও সংস্কৃতি কর্মাধ্যক্ষ ফিরোজ কামাল গাজী বলেন, বর্তমান সরকারের সমস্ত স্তরের উন্নয়নের ফলে আদিবাসী অধ্যুষিত সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার মতো জায়গায় মহকুমা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্ভব হচ্ছে। এটা বসিরহাটবাসীর কাছেও গর্বের। বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তথা জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিগর্শক সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়, প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের গণপতি বল, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমুল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি দেবজ্যোতি ঘোষ, জেলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক শুভজিত চট্টোপাধ্যায়, অতিরিক্ত জেলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক মনসুর হাবিব, ক্রীড়া কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মানস মাহাত , নব কুমার মন্ডল সার্কেল ইন্সপেক্টর সন্দেশখালি প্রমুখ। এদিন মহকুমার ১৭ টি চক্রের ৪৫৬ জন প্রতিযোগী ২৮ টি ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.