বিজেপির বঙ্গ বিজয়ের রথের চাকা বসে কেস্টর ‘উন্নয়ন’ সড়কে

বিধানসভা ভোট ২০২১

কৌশিক গাঙ্গুলি,

রথের মিটিংয়েও উঠে এলো বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরম বিশৃঙ্খলা, হাতাহাতি বিজেপি কর্মীদের মধ্যে।পদ থেকে বাদ যাওয়ার পর জেলা মিটিংয়ের তুলকালাম বিজেপি নেতাদের। ঘটনার সূত্রপাত দিন কয়েক আগে বিজেপির জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় সম্পাদক অনিল সিং ও সহ-সভাপতি নারায়ন চন্দ্র মন্ডল কে পদ থেকে বাদ দিয়ে দেন। তবে কি কারণে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে জানানো হয়নি তাদের, এই অভিযোগে অন্যান্য বিজেপি নেতারা আজ জেলা মিটিং এ উপস্থিত হয় চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। সূত্রে খবর বিজেপির জেলা সভাপতির সামনেই বিজেপির অন্যান্য নেতাকর্মীরা একে অপরের সাথে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এরপর সেখানে সংবাদ মাধ্যমের উপস্থিতি ঘটলে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের হল থেকে বের করে দেওয়া হয়, বন্ধ করে দেওয়া হয় সাউন্ড সিস্টেম। সূত্রের খবর এরপর প্রায় ঘন্টাখানেক চরম বিশৃঙ্খলা হয় সেখানে।বিশৃঙ্খলা চিৎকার-চেচামেচি কথা স্বীকার করলেও হাতাহাতির কথা অবশ্য স্বীকার করেনি জেলা সভাপতি। আর এই পথ থেকে বাদ দিয়ে দেওয়ার ঘটনাটিকে অনেকেই বলছে বিজেপির অন্দরে শুরু হয়েছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। দুধকুমার গোষ্ঠী বনাম রামকৃষ্ণ গোষ্ঠীর লড়াই। সেকারণেই বেছে বেছে বাদ দেওয়া হচ্ছে নেতা-কর্মীদের। প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমের সামনে এ কথা স্বীকার না করলেও বিজেপি নেতারাই বলছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জন্যই এমন ঘটনা।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে রামকৃষ্ণ সভাগৃহে বিজেপির একটি বিজয় সম্মেলনের অনুষ্ঠান হয়েছিল।কিন্তু এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না খোদ জেলা সভাপতি।অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বিজিপির প্রাক্তন সভাপতি অর্জুন সাহা এবং দুধকুমার মন্ডল তীব্র আক্রমণ করে বর্তমান জেলা সভাপতি কে।সেই সভামঞ্চে অনিল সিং, নারায়ন চন্দ্র মন্ডল সহ বেশ কিছু নেতা উপস্থিত ছিলেন।সভা মঞ্চ থেকে অনিল সিং বর্তমান জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় কে উদ্দেশ্য করে বেশ কিছু কটু কথাও বলেছিলেন।ক্যামেরার সামনে প্রকাশ্যে না বললেও অনেক বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছেন সেই ঘটনা পরিপ্রেক্ষিতেই এর অভাবে পদ থেকে সরানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.