ভাইফোঁটা পালিত হল নদীয়া – পূর্ব বর্ধমানে

ক্রীড়া সংস্কৃতি

শ্যামল রায়,

শুক্রবার ছিল ভাইফোঁটা‌। ভাইফোঁটা মানেই বাঙালির কাছে একটা উচ্ছ্বাস এর দিন।কিন্তু ভাইফোঁটার দিন দেখা গেছে যে বিভিন্ন রেল স্টেশনে যাত্রী সংখ্যা খুবই কম ছিল এছাড়াও বিভিন্ন বাস স্ট্যান্ড ফাকা বাস নেই যাতায়াত করতে হয়েছে চালকদের।কৃষ্ণনগর থেকে শিয়ালদা রেল পথ এবং কাটোয়া থেকে হাওড়া রেল পথে বিভিন্ন ট্রেনের কামরায় এদিন সেরকম ভিড় চোখে পড়ে নি।তবে যাত্রী সংখ্যা ছিল খুবই কম। অন্যান্য দিনের মতো যাত্রীরা অনেকটা আরামদায়ক ভাবেই যাতায়াত করতে পেরেছেন।হাওড়া ব্যান্ডেল ঋণ শাখার মধ্যে ব্যান্ডেল রেজিস্ট্রেশন সর্বদা থাকে একটি জমজমাট স্টেশন। এছাড়াও হাওড়া রেল স্টেশনে যাত্রীদের সংখ্যা থাকে প্রচুর কিন্তু ভাইফোঁটার দিন দেখা গেছে সেরকম একটা চোখে পড়েনি।শুধুমাত্র যারা ভাইফোঁটা দিতে যাবে সেরকম কিছু যাত্রীকে চোখে পড়েছে।এক কথায় অনেকেই বলছেন যে অফিস-আদালতেও ছিল হাজিরা সংখ্যা খুব কম।তবে ভাইফোঁটা উপলক্ষে বিগত দিনে আমরা দেখতে পেয়েছি যে বিভিন্ন রেলস্টেশন এবং বিভিন্ন জায়গায় পথ শিশুদের মধ্যে ভাই ফোটা দেওয়ার প্রচলন থাকলেও এবার কিন্তু সেরকম একটা চোখে পড়েনি।অন্যদিকে কালনা 2 নম্বর ব্লকের অধীন জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি দেবু টুডু ভাইফোঁটায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। এদিন তিনি ছোট ছোট মেয়েদের ভাইফোঁটা দেন।
ছাড়াও কাটোয়া শহরে একটি মানসিক ভারসাম্যহীন আশ্রমে ভাইফোঁটার আয়োজন করেছিলেন ওখানকার হরমোহন সিংহ। প্রতিবছরের মতো এবছরও ভাই কোথায় দেওয়া হয় অনেকের মধ্যে।তাই একদিকে ভাইপো না কে কেন্দ্র করে বাঙালি সকলের মধ্যে ছিল প্রবল উৎসাহ উদ্দীপনা অন্যদিকে ভাই তোলাকে কেন্দ্র করে যাত্রী ছিল খুব কম। তাই বাসে ট্রেনে যাত্রীদের ভীড় একটা চোখে পড়েনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.