মানবিক প্রকল্প নিয়ে সচেতনতা শিবির সাগর ব্লকে

প্রশাসন

সৃজন শীল,

“মানবিক প্রকল্প” নিয়ে সচেতনতা শিবির হলো সাগর ব্লকের রামকর চক গ্রাম পঞ্চায়েতের জোড়া মন্দির এলাকায়। উদ্যোগ গ্রহণ করেন অঞ্চলের প্রধান এবং তপবন প্রতিবন্ধী নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও কিশলয় নামে একটি ক্লাব। তপবন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সম্পাদক অমিত মন্ডল নিজেই জন্ম অন্ধ। একশো শতাংশ প্রতিবন্ধী হয়েও তিনি নিজেই তপবন নামে একটি সংস্থা করে প্রতিবন্ধীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। নিজেই কোথাও বাইরে বেরোতে গেলে প্রতিনিয়ত অপরের সাহায্য নিয়ে তিনি বাহিরে যান। এই প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বলে জানা যায়। দিদির আশীর্বাদে তিনি এখন হাজার হাজার প্রতিবন্ধীদের পাশে রয়েছেন। এই সভার প্রায় প্রতিটি বক্তা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিবন্ধীদের প্রতি অবিচারের কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন প্রধানমন্ত্রী ৮০% উপরে যারা প্রতিবন্ধী তাদেরই কেবলমাত্র মাসিক ভাতা পাবে বলে ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন ৫০% থেকে যত প্রতিবন্ধী রয়েছে তাদের “মানবিক প্রকল্পের “মাধ্যমে হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা দেওয়া হবে। সেই উদ্দেশ্যে সাগর ব্লকের প্রায় ৪০০ জন প্রতিবন্ধী এখানে অংশগ্রহণ করেন। যারা প্রতিবন্ধী কার্ড ইতিপূর্বে করেনি তাদের মানবিক প্রকল্পের ফরম ফিলাপ করানো হয় এবং এই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন সমস্ত ব্যক্তি কে শীতবস্ত্র প্রদান করা হয়। আজকের এই সচেতনতা শিবিরে নিজের প্রতিবন্ধী গাড়িটি অপর এক প্রতিবন্ধীর হাতে তুলে দেয়ি সবার নজর কাড়েন। বিশ্বজিৎ মাহাতা নিজেই 80 শতাংশের উপরে প্রতিবন্ধী স্ক্রাচ নিয়ে চলতে হয়। কয়দিন আগে তিনি একটি তিন চাকা গাড়ি পান। সেই গাড়িটি প্রতিবন্ধী তপন পাল কে দান করেন। উপস্থিত ছিলেন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শান্তি স্বরূপ দাস খাদ্যের কর্মদক্ষ পঞ্চায়েত সমিতির আলোক দাস অধিকারী কৃষি সঞ্চালক চন্দন প্রধান প্রমখ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published.