মঙ্গলকোটে কালিপুজো পরিক্রমা

ক্রীড়া সংস্কৃতি

জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জ্জী,

মঙ্গলকোটের পালিগ্রামের কালী পুজো প্রায় ২৫০ বছর অতিক্রম করল।কোনো এক তান্ত্রিকের হাত ধরে, তান্ত্রিক মতে এই পুজো চালু হয় এখনও এই রীতি চলে আসছে ।নিশিভোরে পুজো হয় ।ঘট বিসর্জন, আরতি বা অধিবাস হয় না।মায়ের স্বপ্নাদেশে ব্রাহ্মণরাই ঠাকুর তৈরী করেন।পুজোর সময় গোটা গ্রামের মানুষ উপোষ করে। গ্রামবাসীদের বিশ্বাস হোমের কলা খেলে সন্তানহীনার সন্তান হয় ।প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো মঙ্গলকোটের গণপুরের ক্ষ্যাপাকালী পুজো ।শোনা যায় কালীমা ১২ বছরের কিশোরী মেয়ের রূপ ধরে এসেছিলেন ।কালো মেয়ে , এলোচুল থাকার জন্য এখানে মায়ের গায়ের রঙ কালো ।মায়ের আদেশে মাঝরাতে পাটকাঠি জ্বালিয়ে কালিশায়ের থেকে মায়ের ঘট আনা হয় ।প্রায় ৩০০ বছর আগে অমাবস্যার রাত্রিতে গ্রামের রাখাল ছেলেরা গ্রামের বাইরে শ্মশানে প্রথম কালীপুজো করে ।সেই থেকে পালপাড়ার কালী ছেলেকালী নামে পরিচিত ।পরে স্বপ্নাদেশ পেয়ে সৌরেন্দ্র নাথ মিশ্র ও মাধবলাল বন্দ্যোপাধ্যায়র বংশ গ্রামের মধ্যে মায়ের মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন অমাবস্যার পর মায়ের গায়ের রং করা হয়। গঙ্গ্যোপাধ্যায় বংশের যে কেউ অনুমতি দেবার পর মায়ের চক্ষুদান করা হয় । গ্রামবাসীদের বিশ্বাস মায়ের প্রসাদী ফুল গ্রহণ করলে অর্শ, ফিট সহ মেয়েদের নানা রোগ সেরে যায় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.