নির্মল পঞ্চায়েতে দেশের সেরা দিগম্বপুর পঞ্চায়েত

প্রশাসন

সৃজন শীল,

দক্ষিণ ২৪পরগনা জেলার পাথরপ্রতিমার দিগম্বরপুর অঞ্চলের আনন্দধারা নির্মল উদ্যানের অঞ্চলের বাড়ি বাড়ি থেকে ময়লা আবর্জনা পচনশীল বস্তু অপচনশীল বস্তু এনে জৈব তৈরি করে বিক্রয় করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন  ৩৫ জন মহিলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ঘোষণা করেছিলেন নির্মাল বাংলা গড়তে হবে, সেই নির্মল বাংলা গড়ার লক্ষ্যে দিগম্বর পুর অঞ্চল নির্মল গ্রাম পঞ্চায়েত হিসেবে পুরস্কার লাভ করেছে ভারত সেরার। এই পুরস্কার পেয়ে তারা থেমে থাকতে রাজি নয়। আগামী দিনে যাতে এলাকার প্রত্যেক বাড়ির বিভিন্ন আবর্জনা রাস্তা ঘাট এলাকা যাতে নষ্ট না করে তার জন্য প্রতি বাড়িতে লাল এবং সবুজ বালতি দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যে সমস্ত জিনিসপত্র বা আবর্জনা নষ্ট হওয়ার নয় সেগুলিকে লাল বালতিতে ফেলতে হবে, আর যে গুলো সহজে পচনশীল সে গুলোকে সবুজ বালতিতে ফেলতে হবে, যদি সেই আদেশ কেউ লংঘন করে বা রাস্তাঘাটে আবর্জনা ফেলে ময়লা করে, তাদেরকে গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফ থেকে শাস্তিমুলক ব্যবস্থার বিধান দেওয়া হয়েছে। এই বিধান দিয়েছেন প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও বর্তমানে উপপ্রধান রবীন্দ্রনাথ বেরা ( কাশী)। যিনি আড়াই হাজার গ্রাম পঞ্চায়েত এর মধ্যে তার নিজের গ্রাম পঞ্চায়েত কে দেশের সেরা করে গড়ে তুলেছেন। সেইমতো প্রতি বাড়ি থেকে দিগম্বরপুর অঞ্চল এই নির্মল উদ্যানের যারা কর্মী রয়েছেন দুটি মেশিন ভ্যানে করে সমস্ত আবর্জনা নিয়ে এসে দিগম্বর পুর অঞ্চলের নির্মল উদ্যানে জড়ো করে আর সেখানের সোমবার গোষ্ঠীর মহিলারা সেগুলো বাছাই করে যেগুলো জৈব তৈরি করা যাবে সে গুলোকে ভার্মিকম্পোস্ট অথাৎ কেঁচো সার তৈরি করে। এইভাবে এলাকার মহিলারা স্বাবলম্বী হতে হচ্ছে। প্রত্যেক মহিলাকে জপ কাড়ের নিয়ম অনুযায়ী মজুরি দেয়া হয়। এই নির্মল উদ্যানে ভ্যানচালক হিসাবে কেবলমাত্র দুজন পুরুষ কর্মী কাজ করে। তাদের কাজ অঞ্চলের বিভিন্ন বাড়ি থেকে ভ্যান এর মাধ্যমে সমস্ত আবর্জনা তুলে এ নির্মল উদ্যানে আনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.