প্রশাসন

বিধানসভায় মঙ্গলকোটে তৃনমূল প্রার্থী কি অপূর্ব চৌধুরী?

বিধানসভায়  মঙ্গলকোটে তৃণমূলপ্রার্থী কি অপূর্ব চৌধুরী? 

   মোল্লা জসিমউদ্দিন


২০১১ সালে দলীয় অন্তর্ঘাতে মাত্র দেড়শো ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন সেসময়কার তৃনমূল প্রার্থী অপূর্ব চৌধুরী। গোটা রাজ্যজুড়ে তুমুল পরিবর্তনের ঝড়   দেখা গেলেও মঙ্গলকোটে এক নেতার রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে সেই পরিবর্তনের স্বাদ মঙ্গলকোটে পাইনি তৃনমূল। এইরূপ অভিযোগে সরগরম ছিল মঙ্গলকোটের রাজনীতি। ২০১১ সালে একাংশ দলীয়  বিশ্বাসঘাতকতায় জিতেও হেরেছিল তৃণমূল। তাই ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে প্রবল আশাবাদী ছিলেন গতবারের তৃণমূল প্রার্থী  । তবে জমিয়ত উলেমা হিন্দের  সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর রাজ্যজুড়ে একশো আসনে প্রার্থী দেওয়ার ভাবনায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নতে ডেকে সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী কে একপ্রকার বাধ্য হয়েই মঙ্গলকোটে প্রার্থীপদ দেন মুসলিম ভোটব্যাংকের হিসাব-নিকাশ করে। ২০১৪ সালের লোকসভার ভোটের মার্জিনে মঙ্গলকোটে ৩৬ হাজার ভোটে জেতার দরকার ছিল সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর। এক্ষেত্রে জয়ের ব্যবধান কমে যায় অর্ধেকের বেশি। ১২ হাজারে কাছাকাছি ভোটে জেতেন তিনি। এই ব্যবধান কমাতে উগ্র হিন্দু ভোট দায়ী ছিল বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করে। জেতার পর থেকেই বিরোধী দল সিপিএম – বিজেপি অপেক্ষা দলের ক্ষমতাসীন গ্রুপের বিরুদ্ধে সরব হতে থাকেন সিদ্দিকুল্লাহ। ভূমিপুত্র তথা তৃনমূলের জন্মলগ্ন থেকে দল করা অপূর্ব চৌধুরীর বিরুদ্ধে এহেন দলীয় বিভাজন তৃনমূলের  শীর্ষ নেতৃত্ব কখনই মান্যতা দেয়নি। যার সর্বশেষ প্রমাণ মেলে ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটের দলীয় প্রতীক বিলিতে। কখনো ফিরহাদ হাকিম, কখনো বা পার্থ চাটার্জী আবার কখনোবা অরুপ বিশ্বাস কে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে দেখা যায়। কার্যক্ষেত্রে অনুব্রত অনুগামী অপূর্ব চৌধুরীর প্রতিনিধিরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করে থাকে। বিরোধীশুন্য মঙ্গলকোটে বর্তমান যা পরিস্থিতি তাতে সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী কে পুনরায় প্রার্থী করলে বিপুল কট্টর হিন্দুত্ব ভোট বিজেপির দিকে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল। এখন যা পরিস্থিতি তাতে পশ্চিম মঙ্গলকোটের ৩ টি, উত্তরপূর্ব মঙ্গলকোটে ২ টি এবং দক্ষিণপূর্ব মঙ্গলকোটে ৩ টি সর্বমোট ৮ টি অঞ্চলে  ১৫ টি অঞ্চলের মধ্যে বিজেপির প্রভাব ক্রমশ শক্তিশালীর দিকে তাই একাধারে উগ্র হিন্দুত্ব ভোট অপরদিকে আদি তৃনমূল কর্মী সমর্থকদের বড় অংশের কথা ভেবে ‘বঞ্চিত’ অপূর্ব চৌধুরী কে এবার মঙ্গলকোটের বিধানসভা নির্বাচনে তৃনমূল প্রার্থী হিসেবে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল…     

বিস্তারিত আসছে                                                                                                                               

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *