বিশ্ব প্রবীণ নিগ্রহ সচেতনতা দিবস পালন,

রাজকুমার দাস,

বিশ্ব প্রবীণ নিগ্রহ সচেতনতা দিবস পালন
উপলক্ষে হেল্প এজ ইন্ডিয়া জাতীয় প্রতিবেদন ‘ব্রিজ দ্য গ্যাপ আন্ডারস্ট্যান্ডিং এন্ডার নির্ভস’ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেন প্রধান অতিথি,পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মহিলা ও শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী শ্রীমতি (ডঃ) শশী পাঁজা।ভারত আনুমানিক ১৩.৮ কোটি (১৩৮ মিলিয়ন) বয়স্কদের আবাসস্থল,যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ।প্রবীণদের উপর এর যে প্রভাব পড়েছিল তা বয়স্কদের প্রতি সরকার,প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের যে দৃষ্টিভঙ্গি ছিল,তা বিশ্বজুড়ে পরিবর্তন করতে বাধ্য করে।মহামারী চলাকালীন প্রবীণদেরই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এবং সবচেয়ে গুরুতর আক্রান্ত হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। শত দুই বছরে, হেল্প এজ কোভিড ১৯-এর নীরব পীড়িত বয়স্কদের উপর এই মহামারীর প্রভাব নিয়ে গবেষণা করছে।তবে এই বছরটি মহামারীর ধ্বংসযজ্ঞ এবং পুনরুদ্ধারের প্রাথমিক লক্ষণ দেখার সময়কালের দৃষ্টিকোণ থেকে তাৎপর্যপূর্ণ।

এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র বয়স্কদের প্রতিদিনের মূল অস্তিত্বের সমস্যাগুলির উপর সীমাবদ্ধ না থেকে তাপের সামগ্রিক অভিজ্ঞতার ছবি তুলে ধরতে চেয়েছে।আত্মতৃপ্তি অংশগ্রহণ, স্বাধীনতা, মর্যাদা এবং যত্নের মাপকাঠিতে বার্ধক্য সম্পর্কিত রাষ্ট্রসংঘের নীতির উপর ভিত্তি করে, এই প্রতিবেদনের লক্ষ্য হল অতিরিক্ত ফাঁকগুলি বোঝা,যা বয়স্কদের সুখী, স্বাস্থ্যকর এবং উৎপাদনশীল জীবনযাপনে বাধা দেয়।হেরএজ ইন্ডিয়ার সিইও রোহিত প্রসাদ বলেছেন, “প্রতিবেদনটি কিছু চমকপ্রদ তথ্য তুলে ধরেছে এবং যে দৃষ্টিভঙ্গিতে আমরা আমাদের বয়স্কদের দেখি সেই দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করেছে।প্রবীণরা আজ কাজ করার জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী।তারা শুধুমাত্র আত্মনির্ভরশীল হতে চান না, সমাজের একজন অবদানকারী সদস্য হিসাবে নিজেদের দেখতে চান।অতএব, এটি গুরুত্বপূর্ণ যে,দরিদ্র এবং সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিতদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা প্রদানের পাশাপাশি, আমরা প্রবীণ নাগরিকদের একটি বড় অংশের জন্য একটি সক্রিয় পরিবেশ তৈরি করি যারা দীর্ঘমেয়াদী লাশ উপলব্ধি করার জন্য অবদান রাখতে ইচ্ছুক এবং সক্ষম। ইতিমধ্যে, পরিবারও প্রবীণ নাগরিকদের জীবনযাত্রার মানকে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। আমাদের অবশ্যই যত্ন নেওয়ার পারিবারিক প্রতিষ্ঠানটিকে লালন-পালন ও সমর্থনের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। মহামারীর পরে স্বাস্থ্য আয়, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি প্রধান ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। প্রবীণদের সম্মানজনক জীবনযাপনের জন্য এগুলির মধ্যে ব্যবধান সামাজিক এবং নৈতিক- উভয় স্তরেই সমাধান করা প্রয়োজন।তাই এই বছর আমরা যে থিমটি রেখেছি তা হল ব্রিজ দ্য গ্যাপ।”বৃদ্ধ বয়সে আয় ও কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বয়স্কদের প্রতি দুর্ব্যবহার ও নিরাপত্তা এবং বয়স্থদের সামাজিক ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে ব্যাপক ব্যবধান বোঝার জন্য প্রতিবেদনটি একটি গভীর সমীক্ষা নির্ভর।এটি মূলত A, B, C বিভাগ জুড়ে পরিচালিত ভারতের ২২টি শহরে ৪০৮৯ জন বয়স্ক উত্তরদাতা এবং ২,২০০ জন তরুণ প্রাপ্তবযুদ্ধ পরিচর্যাকারীর মতামত, অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.