পূর্বস্থলীর মুকসিমপাড়ায় রয়েছে মরণফাঁদ গর্ত

প্রশাসন

শ্যামল রায়,

দীর্ঘ দুই মাস ধরে কালনা কাটোয়া রোড এর  সাথে যুক্ত মুকসিমপাড়া পঞ্চায়েতের ঘোষপাড়া থেকে হযরত তলা পর্যন্ত রাস্তার উপর কালভার্ট তৈরি হবে, তাই ধস চার ফুট গর্ত তৈরি হওয়ায় যানবাহন চলাচলে বন্ধের মুখে। সেই সাথে যাত্রীসাধারণ থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ বারবার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বলা সত্ত্বেও রাস্তার উপর তৈরির জন্য বিশাল বড় মাপের গর্ত এখনো বন্ধ না করা বা কালভাট তৈরীর কাজ শুরু না করাই চরম সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছে তাদেরকে।তাই স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে শীঘ্রই রাস্তাটি সংস্কার এবং কালবাট তৈরি করা হোক না হলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বৃহৎ আন্দোলনের সাথে সাথে রাস্তা অবরোধের ডাক দেওয়া হবে।স্থানীয় বাসিন্দারা পিকু শেখ, মানিক চৌধুরী ,ইলিয়াত শেখ মানাই শেখ প্রমুখ অভিযোগ যে এই রাস্তা ধরেই দুর্গাপুর নদীয়ার কৃষ্ণনগর বর্ধমান কালনা কাটোয়া প্রভৃতি রাস্তার সাথে যোগাযোগ রয়েছে। অথচ দুই মাস আগে এই রাস্তাটি সংস্কার করা হলেও রাস্তার মাঝখানে কালবাট তৈরীর কাজ হয়নি । অথচ রাস্তার মাঝখানে চার ফুট বড় ধরনের  ধ্বসে গর্ত হয়ে পড়ে রয়েছে । এই রাস্তা দিয়েই ১৪ খানা যাত্রীবাহী বাস যাতায়াত করে থাকে । বড় গর্তের কারণে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তার পাশ দিয়ে  এই বাসগুলো যাতায়াত করে থাকে । অনেক সময় যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে খালি বাস টাকে সামান্য সরু রাস্তা দিয়েই  বাস  পার করতে হয় । বাচ্চা লোকদের কাছে অভিযোগ যে কোন সময় ধসে বাস গর্তের ভিতরে যেতে পারে এই আতঙ্ক থেকেই যায় । মাঝে মধ্যেই এই আতঙ্কের কারণে বাস বন্ধ রাখা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা পিকু শেখ অভিযোগ করেছেন যে এই রাস্তা দিয়েই একমাত্র জামালপুরে সপ্তাহে একদিন বড় ধরনের হাট বসে আমাদের এই সব অঞ্চলের থেকে বহু ব্যবসাদার ওই হাটে যান কিন্তু রাস্তায় ধ্বস নামার কারণে ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে ভয় পাচ্ছেন এলাকার মানুষ তাই আতঙ্কিত কখন যেন দুর্ঘটনা ঘটে। একমাত্র ধ্বস নামার কারণে রাস্তাটি সরু হয়ে যাওয়ায় সমস্ত ধরনের যানবাহন যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম সংকটের মুখে পড়তে হয়েছে এবং যে কোন সময় ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এলাকার মানুষ ও যাত্রীরা। এই পথেই যেতে হয় দাসপাড়া সহ একাধিক স্থানে। গুসকরা থেকে শুরু করে বর্ধমান বেনাচিতি মন্তেশ্বর মালডাঙ্গা প্রভৃতি স্থানে এই রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করে থাকে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। কিন্তু পিচ রাস্তার মাঝখানে ধসে বড় ধরনের গর্ত তৈরি হওয়ায় আজও মেরামত না হওয়ার কারণে চরম সমস্যার মধ্যে যাত্রীসাধারণ থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ যে এই রাস্তার মাঝখানেই বড় ধরনের কালভাট তৈরি হবে কিন্তু ঠিকাদার তৈরিতে গড়িমশি করার ফলে এই ধরনের সংকট বলে মনে করছেন সকলেই। অভিযোগ যে পূর্ত দপ্তর কে জানিয়েও কোনো কাজের কাজ হয়নি এখনো।মুকসিমপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি আমানুল্লাহ চৌধুরী জানিয়েছেন যে পূর্ত দপ্তর কে বিষয়টি বারবার বলা সত্ত্বেও কাজ করছে না। অথচ এই রাস্তা দিয়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে যাওয়ার একমাত্র যাতায়াতকারী মাধ্যম। যদি খুব শীঘ্র রাস্তাটি মেরামত না করা হয় তাহলে বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলার পথে এলাকার মানুষ। বড় ধরনের গর্ত তৈরি হওয়ায় আতঙ্কিত সকলেই কখন যেন দুর্ঘটনা ঘটে যায়।স্থানীয় সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সোমনাথ দে জানিয়েছেন যে বিষয়টি দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.