প্রশাসন

করোনা সর্তকতায় এবার বীরভূমে ‘এনহ্যান্স কন্টেইনমেন্টজোন’


            খায়রুল আনাম


করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রাথমিক যে সতর্কতা নেওয়ার প্রয়োজন ছিলো, তা যে মানা হয়নি, এই সত্যটা এবার উপলব্ধি করছে বীরভূম জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য দফতর।  যেটুকু সতর্কতা অত্যন্ত জরুরী সে টুকুও  বেশিরভাগ এলাকায় মানা  না হওয়ার কারণে এবং বাজারে অনিয়ন্ত্রিত ভিড় বেড়ে যাওয়ার ফলে সমস্যা যে বেড়েছে, তা এখন স্পষ্ট। তাই এই পরিস্থিতি ঠেকাতে জেলা প্রশাসনকে যে আরও সতর্ক ও কঠোর হতে হবে, সে কথাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।        জেলার করোনা পরিস্থিতি যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে তাতে,  এবার  সংক্রমণ রোধে  বেশি সংখ্যায় আক্রান্ত হওয়া এলাকাগুলিকে ‘এনহ্যান্স কন্টেইনমেন্ট জোন’ করার জন্য জেলা প্রশাসন পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু।   তিনি আরও জানিয়েছেন, সেইসব জায়গায় পুলিশি   ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে। তাঁর অভিমত,  সংক্রমণ রোধে আনলক পর্বে পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না। তাই কন্টেইনমেন্ট জোনগুলির  এলাকা আরও বাড়িয়ে  ‘এনহ্যান্স কন্টেনমেন্ট জোন’ করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কোনও একটা সংসদ বা গ্রাম পঞ্চায়েত  এলাকায় যখন সংক্রমণ বাড়ছে তখন সেখানে সম্পূর্ণ লকডাউন না করে ওই এলাকাকে ‘এনহ্যান্স কন্টেইনমেন্ট জোন’ করা হবে। যাতে ওই এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত  বা সংসদ এলাকার মানুষন গ্রিন এলাকায় যেতে  না পারেন তা দেখা হবে। আগে আক্রান্তের  বাড়ি বা  সেই পাড়া  কন্টেনমেন্ট জোন করা হতো। কিন্তু, এখন  অ্যান্টিজেন টেস্টের সংখ্যা বাড়ায় পজিটিভ কেসের সংখ্যাও  বাড়ছে।  যে গ্রাম পঞ্চায়েত  বা সংসদে এখনও পজিটিভ কেস পাওয়া যায়নি, সেই এলাকায়  জীবাণু ছড়িয়েছে কী না, তা জানতে অ্যান্টিজেন কীট নিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা যাচ্ছেন। যদি দেখা যায়, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের  দু’টি সংসদ  ভাইরাস মুক্ত  রয়েছে, বাকী সংসদগুলিতে  পজিটিভ কেস পাওয়া যাচ্ছে, তখন ওই সংসদগুলিকে একসঙ্গে  নিয়ে  ‘এনহ্যান্স কন্টেইনমেন্ট জোন’ করে পৃথক করা হবে। যাতে মুক্ত এলাকার মানুষ সংক্রমিত না হন। এবং এতে সংক্রমণ অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলেই মনে করছে জেলা প্রশাসন ।।   

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *