পুলিশ

হেফাজত থেকে অভিযুক্তের পালানোর চেস্টা, আটকালো সিভিক

আমিরুল ইসলাম,

পুলিশকে লাথি মেরে পালিয়ে যাওয়া মার্ডার কেসের আসামিকে জীবনের বাজি রেখে ধরলেন সিভিক ভলেন্টিয়ার, ঘটনায় ভাতারে ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারে শাশুড়িকে খুনের দায়ে ধৃতকে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে নিয়ে গিয়ে পুলিশকে লাথি মেরে পালিয়ে যায় ওই আসামী। এই ঘটনা ঘিরে ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। প্রায় 2 ঘন্টা পর ভাতার থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার ধরে ফেলে ওই আসামীকে।
গতসপ্তাহে ভাতার থানার মাহাতা গ্রামে লীলা আগরওয়াল(৪৪) নামে এক মহিলার দেহ উদ্ধার হয়েছিল। পরে বোঝা যায় তাকে খুন করা হয়েছে। ওই খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় মৃতার জামাই প্রসেনজিৎ দলুই(২৭)কে। গত বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে তোলার পর পাঁচদিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। আজ সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ওই আসামীকে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। আসামীর সঙ্গে ছিলেন নরেশ সোনার ও ভাস্কর ঘোষ নামে দুই পুলিশকর্মী,এবং মিঠুন চন্দ্র সাঁতরা নামে এক সিভিক ভলেন্টিয়ার।স্বাস্থ্যপরীক্ষা শেষ করে আসামীকে গাড়িতে তোলার সময় নরেশবাবুকে জোরে একটা লাথি মেরে পালায় প্রসেনজিৎ। কাঁটার গ্রামের ভিতর দিয়ে ছুটে পালাতে থাকে আসামী।পুলিশও তাড়া করে তাকে। শেষে কাঁটারি গ্রাম পেড়িয়ে ফাঁকা মাঠে একটি পোলট্রি ফার্মের কাছে ধরা পড়ে যায় আসামী। জীবনের বাজি রেখে ওই আসামীকে ধরতে গেলে আসামিসহ জোরে নখ দিয়ে আঁচড় বসায় সিভিক ভলেন্টিয়ার মিঠুন চন্দ্র সাঁতরার হাতে।
ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার মিঠুন চন্দ্র সাঁতরার হাতে চোট পায়। তাকে চিকিৎসা করা হয় ভাতার ব্লক হসপিটালে।

ভাতার থানার ওসি প্রণব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান ওই আসামীর বিরুদ্ধে পালানোর চেষ্টার অভিযোগে একটি কেস করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *