প্রশাসন

করোনা রোধে আরও কড়া শহর বর্ধমান

সুরজ প্রসাদ

এবার বর্ধমান শহরে ভিড় নিয়ন্ত্রণে আর কোভিড সংক্রমণের হারকে বশে আনতে আবার কিছু নিয়ম জারি করেছে জেলা প্রশাসন।গত ১০ আগস্ট রাতে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের দপ্তর থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে নতুন নিয়মগুলি। এই বিধিগুলি গোটা আগস্ট মাস জুড়ে বলবৎ থাকবে।কোভিড সংক্রমণের প্রথম পর্যায়ে সেফ জোন ছিল শহর বর্ধমান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। আনলকের ওয়ান পর্বে কার্যত বেপরোয়া হয়ে রাস্তায় বাজারে ভিড় বাড়ান নাগরিকের একাংশ। কলকাতা সহ বাইরে যাতায়াত বেড়ে যায়। গত মাসের দ্বিতীয়ার্ধে গোটা জেলাকে পিছনে ফেলে শীর্ষ স্থানে পৌছে যায় জেলা শহর। নতুন নতুন পরিসংখ্যান সামনে আসে। রোজ সংখ্যা বাড়তে থাকে আক্রান্তের। শুধু কয়েকটি ওয়ার্ডেই নয় শহরের প্রায় সব এলাকাতেই কনটেনমেন্ট জোন। অনেক জায়গায় বাঁশের বেড়া। গতমাসের ২২ থেকে ২৮ জুলাই শহরে পুরো লকডাউন ঘোষণা করতে হয় প্রশাসনকে।তারপর আবার সব শিথিল হয়্র যায়। সেজন্যই আবার কড়া কিছু নিয়ম জারি করল প্রশাসন। এই নিয়মে সামাজিক ; সাংস্কৃতিক সহ বড় সব জমায়েত বা অনুষ্ঠান নিষেধ করা হয়েছে। সিনেমাহল ; পার্ক বা হল ; অডিটোরিয়াম সহ সব বিনোদন বন্ধ থাকবে। কোচিং জিম বা ক্লাবের ইন্ডোর কার্যক্রম চলবে না।বি সি রোডের দোকানগুলি এক একদিকে পর্যায়ক্রমে খুলবে।জি টি রোডেও একই ফর্মুলা জারি থাকবে। সোম বুধ শুক্র আর মঙ্গল বৃহস্পতি শনি এভাবে রোটেশন ভিত্তিতে খোলা হবে। ব্যাবসায়ী সমিতিগুলি তা ঠিক করে নেবে। রবিবার সব দোকান বন্ধ থাকবে। বাকি এলাকা সহ শহরের ৩৫ টি ওয়ার্ডের সর্বত্র কিছু বিধি জারি হয়েছে। এখন থেকে সকালে পাইকারি সব্জি আর মাছের বাজার খোলা থাকবে – সকাল ৪ টাথেকে ১০ টা। খুচরো মাছের বাজার আর সব্জি বাজার খোলা থাকবে -৭টাথেকে ১০.৩০ টা। ফলের দোকান ৭ টা থেকে ১১টা। আর মুদিখানা স্টেশনারি দোকান চালু থাকবে ১১২ টা থেকে ৫- টা। অন্যসব দোকান খোলা রাখা যাবে ১১ টা থেকে ৫ টা।নতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারের চালু থাকার সময় হল ১১ টা থেকে ৫ টা। এখানে লোডিং করতে হবে রাত ৬ টা থেকে ১০ টার মধ্যে।মিষ্টির দোকান ১০ টা থেকে ৫ টা।হোটেল আর।রেস্টুরেন্টে খোলা থাকার সময় হল ১২ টা থেকে রাত ৯ টা ।চায়ের দোকান সকাল ৪ টা থেকে ১০ টা খোলা যাবে। রাজ্যের লকডাউন এর দিনগুলিতে সবই বন্ধ রাখা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *