হাইকোর্ট সংবাদ

এসএসসিতে চাকরি ২৫৩ নং র‍্যাঙ্ক প্রার্থীর অথচ ব্রাত্য ২১৪ নং, রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

এসএসসিতে চাকরি ২৫৩ নং র‍্যাঙ্ক প্রার্থীর অথচ ব্রাত্য  ২১৪ নং,  রিপোর্ট তলব 

মোল্লা জসিমউদ্দিন
আরও একবার কলকাতা হাইকোর্টের ভর্ৎসনার শিকার এসএসসি কর্তৃপক্ষ। শিক্ষক নিয়োগে অস্বচ্ছতার অভিযোগের ভিক্তিতে এই কড়া অবস্থান কলকাতা হাইকোর্ট। কেন বারবার একই অভিযোগ উঠছে, কেনই বা চাকরিপ্রার্থীদের আসতে হচ্ছে কলকাতা হাইকোর্টের কাছে।তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বয়ং বিচারপতি। সোমবার দুপুরে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে উঠে শিক্ষক নিয়োগে অস্বচ্ছতার অভিযোগ নিয়ে মামলা। ২০১৬ সালে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে এই অস্বচ্ছতার অভিযোগ চাকরি প্রার্থীদের একাংশের।২৫৩ নং র‍্যাঙ্কের প্রার্থী এসএসসিতে চাকরি পেয়েছেন।অথচ তার থেকে টপার অর্থাৎ ২১৪ নং র‍্যাঙ্কের প্রার্থীর জোটেনি চাকরি। কোন রসায়নে এই নিয়োগ তা হলফনামা আকারে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে।আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে এই রিপোর্ট জমা দিতে হবে।।ওইদিনই এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। এদিনই সল্টলেকের এসএসসি ভবনের সামনে একদল চাকরি প্রার্থী বিক্ষোভ প্রদর্শন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকেন।তারা সেন্টার পার্কে অনশন করতে চাইলে পুলিশ অনুমতি দেয়নি।মহামারী আইনের প্রয়োগ ঘটিয়ে বিধাননগর পুলিশ শিক্ষক নিয়োগে চাকরি প্রার্থীদের হটিয়ে দেয় এদিন।গত ২০১৬ সালে রাজ্যের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক নিয়োগে যে পরীক্ষা হয়েছিল। সেখানে মেধাতালিকা প্রকাশ থেকে ইন্টারভিউ তালিকা নিয়ে বিস্তর অভিযোগ তুলেছে চাকরি প্রার্থীরা।আশ্চর্যের বিষয় – র‍্যাঙ্কের প্রার্থীদের টপারদের বাদ দিয়ে অনেকেই চাকরি পান।শিক্ষক নিয়োগের এই অস্বচ্ছতার অভিযোগ এনে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে উঠে এই মামলা।সেখানে ২৫৩ নং র‍্যাঙ্কের প্রার্থী এসএসসিতে চাকরি পেলে কেন ২১৪ নং র‍্যাঙ্কের প্রার্থী চাকরি পাননি।তার জবাবদিহি চেয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ৩১ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি। তার আগেই এসএসসি কে এই হলফনামা জমা দিতে হবে বলে জানিয়েছে আদালত। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *