বর্ধমান জেলা

আবর্জনা সংগ্রহে বালতি বিতরণ গুসকরায়

আবর্জনা সংগ্রহে বালতি বিতরণ করল গুসকরা পৌরসভা 

জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি,
          গৃহস্থালির জৈব-অজৈব আবর্জনা যত্রতত্র ফেলার ফলে একদিকে যেমন দৃশ্য দূষণ ঘটে অন্যদিকে তেমনি পরিবেশ দূষণও ঘটে। আধুনিক সভ্যতার এ এক বড় লজ্জা। সমস্ত রকম দূষণ জনিত  লজ্জার হাত থেকে গুসকরাবাসীকে রক্ষা করার জন্য গত ফেব্রুয়ারি মাসে গুসকরা পৌরসভার পক্ষ থেকে প্রতিটি বাড়িতে একটি করে  নীল ও সবুজ বালতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। করোনার আতঙ্ক, ভোটজনিত নিষেধাজ্ঞা, বালতি সরবরাহে ঘাটতি ইত্যাদি নানাবিধ কারণে পৌরসভার ষোলটির মধ্যে তেরোটি ওয়ার্ডে বালতি সরবরাহ করা হলেও তিনটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা বালতি পাওয়া থেকে বঞ্চিত ছিল। গত ২৭ শে জুলাই থেকে পুনরায় সেই বালতি বিতরণের কাজ শুরু হয়।পুরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি হাই মল্লিক, তৃণমূল নেত্রী সাধনা কোনার ও অন্যান্য ওয়ার্ডবাসীদের সহযোগিতায়  পুরসভার পক্ষ থেকে গত তিন দিন ধরে (২৮-৩১ জুলাই) সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের বাড়ি বাড়ি বালতি সরবরাহ করা হয় এবং প্রত্যেককে নির্দিষ্ট বালতিতে পৃথকভাবে জৈব-অজৈব আবর্জনা ফেলার জন্য অনুরোধ করা হয়। আরও বলা হয় নির্দিষ্ট সময় অন্তর পৌরসভার গাড়ি এসে আবর্জনাগুলি সংগ্রহ করবে। জানা যাচ্ছে প্রায় চার শতাধিক বাড়িতে বালতি সরবরাহ করা হয়েছে। সাধনা দেবী বলেন – “আমি ১৪ নং ওয়ার্ডে বাস করি। নিজ ওয়ার্ডের স্বার্থে একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে আমরা শুধু বালতি বিতরণে পৌর কর্তৃপক্ষের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি”। অন্যদিকে পৌর প্রশাসক মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য কুশল মুখার্জ্জী বালতি বিতরণে সহযোগিতা করার জন্য হাই মল্লিক, সাধনা কোনার সহ অন্যান্যদের ধন্যবাদ জানান এবং বলেন – ” নিজ শহরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব সবার। প্রতিটি নাগরিক যদি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন পৌর কর্তৃপক্ষের কাজ সহজ হয়। আশাকরি সবার সহযোগিতায় খুব শীঘ্রই গুসকরা দূষণ মুক্ত শহর হয়ে উঠবে”। তিনি আরও বলেন – “আগামী দু’তিন দিনের মধ্যে বাকি দুটি ওয়ার্ডেও বালতি বিতরণ করা হবে”।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *