প্রশাসন

প্রবল বর্ষণে থইথই বাঁকুড়া

সাধন মন্ডল,

দুদিনের টানা বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন সারা বাঁকুড়া জেলা। জেলা শহরের সাথে বেশ কয়েকটি ব্লক সদরের যোগাযোগ সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন। বিশেষ করে জঙ্গলমহল এলাকার থেকে বাঁকুড়া সদর শহরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। শিলাবতী নদীর উপর সিমলাপাল এর কাছে শিলাবতী নদীর উপর যে কজওয়েটি রয়েছে তা জলের তলায় বাঁকুড়া- ঝাড়গ্রাম ৯ নম্বর রাজ্য সড়কের উপর পড়ে এই কজওয়েটি। আজ দুদিনের প্রবল বর্ষণের ফলে প্রতিটি নদীর জল স্তর বেড়েছে কংসাবতী, শিলাবতী, দামোদর, গন্ধেশ্বরী, দ্বারকেশ্বর প্রভৃতি প্রভৃতি নদনদীর জলস্তর বাড়ার কারণে বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এদিকে শুশুনিয়া পাহাড় থেকে ছাতনা আসার পথে গন্ধেশ্বরী নদীর ওপর সেতু জলের তলায় ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। অন্যদিকে বিষ্ণুপুর মহকুমার কোতুলপুর, পাত্রসায়ের, ইন্দাস, সোনামুখী, বিষ্ণুপুর এলাকার নদী ও খালের জলস্তর বেড়েছে ফলে মাঠ-ঘাট জলমগ্ন। বেশ কয়েকটি অস্থায়ী সেতু ভেঙে পড়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। আবার বাঁকুড়া থেকে সারেঙ্গা যাবার রাস্তায় সিমলাপাল ছাড়াও আমঝোর গ্রামের কাছে একটি জোড় খালের জল বেড়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতাঃ ছিল আগে থেকেই। অন্যদিকে সারেঙ্গায় বেশ কয়েকটি কাঁচা বাড়ি হেলে পড়েছে। সিমলাপাল এর পাথর ডোবা গ্রামের এক ব্যক্তি দেয়াল চাপা পড়ে মারা গেছে বলে খবরে প্রকাশ তার নাম আব্দুল ওয়াদখান (৬০) প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অঝোরে বৃষ্টি পড়ে চলেছে সারা জঙ্গলমহল জুড়ে। আবহাওয়া দপ্তরের খবর অনুযায়ী আজও চলবে। তবে সমস্ত ব্লক প্রশাসন সতর্ক রয়েছেন বিভিন্ন জায়গায় গ্রামবাসীদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এ ব্যাপারে সারেঙ্গা থানার আইসি সুজিত ভট্টাচার্য বলেন সারেঙ্গা ব্লকের বেশ কয়েকটি মাটির বাড়ি ও চালা ঘর ভেঙেছে কোন হতাহতের খবর নেই। রাইপুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক রঞ্জন সরদার বলেন ব্লকের ঢেকো অঞ্চলে একটি খালের উপর জল বইছে ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে এছাড়া কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই, প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।। সারেঙ্গা সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ফাহিম আলম বলেন আমরা সতর্কতার সাথে রেখেছি এখনো পর্যন্ত কোন রকম প্রাণহানি বা বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। জলমগ্ন এলাকার মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *