প্রশাসন

সারেঙ্গা বালিকা বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ

শুভদীপ ঋজু মন্ডল,

উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পর স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট নিতে গেলে টাকা চাওয়ার অভিযোগ সারেঙ্গা গার্লস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা রঞ্জনা বাগালের বিরুদ্ধে। ঘটনার বিবরণে প্রকাশ আজ বিদ্যালয়ের ১৬জনছাত্রী ছাত্রীনিবাসে ২০২০ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত থাকা ছাত্রীরা স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট নিতে গেলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রঞ্জনা বাগাল তাদের ৮ থেকে ১০হাজার টাকা অর্থাৎ তারা সরকারিভাবে যে টাকা পেয়েছে সেই পরিমাণ টাকা বিদ্যালয়ে জমা দিতে বলেন তা না হলে তাদের স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। বলে অভিযোগ ছাত্রীদের। একথা শুনে ছাত্রীরা ও অভিভাবকবৃন্দ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাদের পাশে দাঁড়ায় ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহল এর গাঁওতা। তারা বলেন এভাবে প্রধান শিক্ষিকা ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা দাবি করতে পারেন না যেহেতু বিদ্যালয় বন্ধ ছিল হোস্টেল বন্ধ ছিল তাই টাকা দেওয়ার কনো প্রশ্নই নেই।এখানে উল্লেখ্য হোস্টেল বন্ধ থাকলেও সরকারি ভাবে আবাসিকদের একাউন্টে টাকা এসেছে এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রঞ্জনা বাগাল বলেন এটা আমাদের ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত টাকা না দিলে স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট দেওয়া যাবে না এবং যেহেতু ছাত্রীরা আমাকে না বলে স্কুলে এসেছে তাই আজ কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না আগামী সোমবার ম্যানেজিং কমিটির সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ছাত্রীরা কত টাকা দিলে তাদের স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট দেওয়া যাবে। এ ব্যাপারে সারেঙ্গা গার্লস হাইস্কুলের পরিচালন কমিটির সদস্য তারাশঙ্কর মহাপাত্র বলেন ছাত্রীনিবাস পরিচালনার জন্য রাধুনী, ঝাড়ুদার, নাইট গার্ড দের সাম্মানিক ছাত্রীদের স্টাইপেন্ডের টাকা থেকেই ম্যানেজ করা হয় এবারে যেহেতু দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ছাত্রী নিবাস বন্ধ আছে তাই সেই সমস্ত কর্মচারীদের কোনরূপ সাম্মানিক দেওয়া যায়নি তাদের কথা চিন্তা করে মানবিকতার খাতিরে ছাত্রীদের কাছে কিছু টাকা চাওয়া হয়েছে তবে তা কোন দাবি করা হয়নি। ছাত্রীদের মধ্যে শকুন্তলা হেমরম, সুন্দরী কিস্কু, লাবনী কিস্কু,সুমিতা সরেন রা বলেন আমাদের প্রধান শিক্ষিকা জোর করে বলছেন টাকা না দিলে স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট দেবোনা। আমরা এই অভিযোগ সারেঙ্গার সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ফাহিম আলমের কাছে জানিয়েছি। এদিকে সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। অন্যদিকে সারেঙ্গা চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক তন্ময় চক্রবর্তী বলেন আমি আজ বাইরে থাকায় বিষয়টি আমার জানা নেই তবেখোঁজ নিয়ে দেখছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *