রাজনীতি

লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে আলোচনা গুসকরায়

‘লক্ষীর ভাণ্ডার’ নিয়ে আলোচনা হলো গুসকরায়

জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী,

          জনগণের বিশেষ করে  মহিলাদের স্বার্থে চালু যেকোনো সরকারি প্রকল্পের সফলতা সরকারি কর্মচারিদের দক্ষতার সঙ্গে সঙ্গে শাসকদলের নীচু তলার কর্মীদের সক্রিয়তার উপর অনেকখানি নির্ভর করে। এবার সেই সক্রিয়তা দেখা গেল গুসকরা পুরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল নেত্রী সাধনা কোনার ও তার সঙ্গীদের মধ্যে।
        একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা ব্যানার্জ্জী মহিলাদের হাত খরচের জন্য 'লক্ষীর ভাণ্ডার' থেকে প্রতি মাসে কিছু করে অর্থ  দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তার ঘোষণা অনুযায়ী সাধারণ মহিলারা পাবেন ৫০০ টাকা করে এবং আদিবাসী মহিলারা পাবেন ১০০০ টাকা করে। এই অর্থ পেতে গেলে কিভাবে আবেদন করতে হবে তা নিয়ে গত ২৫ শে জুলাই সন্ধ্যায়  নিজ ওয়ার্ডের আদিবাসী মহিলাদের নিয়ে আলোচনায় বসেন সাধনা দেবী। তিনি ছাড়াও এই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বাহামনি সরেন, ডুমরি  সরেন, সুখী মুর্মু, সালমা সরেন, কদম কিসকু প্রমুখ। 
          সাধনা দেবী বলেন - শহর সভাপতি কুশল মুখার্জ্জীর পরামর্শে আমরা এই আলোচনা সভার আয়োজন করি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জ্জী ঘোষিত 'লক্ষীর ভাণ্ডার' থেকে অর্থ পেতে গেলে কিভাবে আবেদন করতে হবে, কোথায় আবেদন পত্র পাওয়া যাবে এবং কি কি তথ্য দিতে হবে সেই বিষয়ে আমরা উপস্থিত মহিলাদের বুঝিয়ে বলি। কোনো সমস্যা হলে আমরা বিগত দিনের মত তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিই।
         অন্যদিকে শহর সভাপতি কুশল বাবু বলেন - দলমত নির্বিশেষে কোনো যোগ্য মহিলা যাতে সরকারি সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন তার জন্য আমাদের বিধায়ক অভেদানন্দ থাণ্ডার সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তার পরামর্শ মত আমি প্রতিটি ওয়ার্ডের দলীয় কর্মীদের দায়িত্ব পালন করার পরামর্শ দিয়েছি। দলীয় কর্মীদের তৎপরতায় আমাদের শহরের কেউই 'লক্ষীর ভাণ্ডার' থেকে বঞ্চিত হবেনা সেই বিষয়ে আমি আশাবাদী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *