পুলিশ

মঙ্গলকোটে তৃণমূল নেতা খুনের মামলায় পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম

মঙ্গলকোটে তৃণমূল নেতা খুনের মামলায় পুলিশের ‘স্পেশাল টিম’

মোল্লা জসিমউদ্দিন,
মঙ্গলকোটের অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি অসীম দাস খুনের ঘটনায় দুদিনের মধ্যেই পুলিশের তরফে ‘স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম’ অর্থাৎ সিট গঠন করা হলো।পূর্ব বর্ধমান জেলার এই বিশেষ তদন্তকারী দলে রয়েছেন অতিরিক্ত জেলা পুলিশসুপার ( গ্রামীণ)  ধ্রুব দাস,  মহকুমা পুলিশ অফিসার কৌশিক বসাক, আইসি পিন্টু মুখার্জি প্রমুখ। ইতিমধ্যেই এই খুনের তদন্তে সিআইডির সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদা পূর্ণ অফিসারের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে এসে নমুনা সংগ্রহ সহ এলাকাবাসীদের সাথে তথ্য সংগ্রহ করার কাজ চলেছে।তাছাড়া এই খুনের ঘটনায় চারজন এলাকাবাসীদের কে আটক  করেছে জেলা পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান,  সুপারি কিলার নিয়োগ করে এই খুন সুপরিকল্পিতভাবে ঘটনা হয়েছে। যদিও এটি সাংগঠনিক পদ থেকে চিরতরে সরাতে খুন, নাকি বিজেপির রাজনৈতিক শত্রুতার জেরে খুন তা স্পষ্ট নয় তদন্তকারীদের কাছে।তবে নিহতের পরিবারের তরফে ‘ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাই’ এই খুনে জড়িত বলে দাবি তোলা হয়েছে। এর আগে বেশ কয়েকবার এই অঞ্চল তৃণমূল সভাপতির উপর হামলা চলিয়েছে বলে স্থানীয় সুত্রে প্রকাশ। ২০১৭ সালে দু বার এই ধরনের ঘটনার নজির রয়েছে। ইতিমধ্যেই লাখুড়িয়া অঞ্চলে সিউড়, কল্যাণপুর, সহ সদর লাখুড়িয়া গ্রামে বেশকিছু পরিবার ঘটনার পরেই বেপাত্তা।গত সোমবার সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ মঙ্গলকোটের কাশেমনগর থেকে সিউড় গ্রামে একাকী মোটরসাইকেল করে বাড়ি ফিরবার পথে গোতিস্টা সংলগ্ন এলাকায় খুব কাছ থেকে গুলি করে খুন করা হয়। এই ঘটনায় সমগ্র মঙ্গলকোট জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য পড়ে যায়।মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসে সিআইডি। তারা নমুনা সংগ্রহ করে থাকে। এরপর রাজ্য সড়কপথে বিক্ষোভ প্রদর্শন কর্মসূচি নেয় স্থানীয় তৃণমূল নেতা কর্মীরা।বুধবার এই ঘটনায় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম অর্থাৎ সিট গঠন করলো।সেখানে এএসপি, এসডিপিও, আইসি সহ চার জন পুলিশ অফিসার রয়েছেন। পুলিশের তরফে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চলছে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে।পাশাপাশি নিহতের ব্যবহৃত  মোবাইল ফোনের কললিস্ট, টাওয়ার লোকেশন দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি এদিন বিকেলে  মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়ার সিউড় গ্রামে নিহত অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি অসীম দাসের বাড়িতে আসেন মঙ্গলকোটের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক অনুব্রত  মন্ডল,সাথে ছিলেন এলাকার স্থানীয় বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী ।তিনি নিহতের পরিবার কে শান্তনা দেওয়ার পাশাপাশি খুনের ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের আগামী তিনদিনের  মধ্যে গ্রেপ্তারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।পাশাপাশি এক খামে আর্থিক সাহায্য করা হয় নিহতের পরিবার কে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *