হাইকোর্ট সংবাদ

৮ জুলাইয়ের মধ্যে রাজ্য কে টোসিলিজুমাব কান্ডে রিপোর্ট জমা দিতে হবে হাইকোর্ট কে

মোল্লা জসিমউদ্দিন টিপু,  
শুক্রবার দুপুরে কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্ডালের ডিভিশন বেঞ্চে উঠে জীবনদায়ী ইঞ্জেকশন টোসিলিজুমাব মামলার শুনানি। এদিন হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে যে, এই ইঞ্জেকশন চুরির ঘটনায় রাজ্য কি ব্যবস্থা নিয়েছে?  কারও বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ হয়েছে কি? তা জানাতে হবে আগামী ৮ জুলাইয়ের মধ্যে।এই ঘটনায় দুটি মামলা চলছে।যার একটি আদালতের স্বতঃস্ফূর্ত মামলা।উল্লেখ্য,  রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই এই ইঞ্জেকশন চুরির ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক কে শীতলকুচির প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বদলী করেছে। জুন মাসের প্রথম দিকে  কলকাতা হাইকোর্টে দাখিল হয়েছিল এক জনস্বার্থ মামলা। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বহুমূল্য এবং বাজারে অমিল ‘টোসিলিজুমাব’ ইঞ্জেকশন চুরির ঘটনায় যথাযথ তদন্ত চেয়ে আইনজীবী তাপস মাইতি এই মামলাটি দাখিল করেছেন। কোভিড চিকিৎসায় এই ইঞ্জেকশন খুব কার্যকরী। ভুয়ো প্রেসক্রিপশন দেখিয়ে এক চিকিৎসক ১০ লক্ষ দামে ২৬ টি ইঞ্জেকশন সরিয়েছেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় সরাসরি কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে অভিযুক্তদের পক্ষে।সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনা ঘিরে এক অডিও টেপ ভাইরাল হয়। সেখানে টোসিলিজুমাব নামে ইঞ্জেকশন চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে তিন সদস্যের এক কমিটি গড়া হয়েছে। সেখানে আনাস্থেশিয়া, কার্ডিওথোরাসিফ, সার্জারী বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন। তিনদিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ ছিল।বিষয়টি নিয়ে বৌবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার কে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। এরেই মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে দাখিল হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। এই ইঞ্জেকশন টি বাতের চিকিৎসায় ফোলা সহ ব্যাথা কমানোর জন্য।তবে করোনায় খুব কার্যকরী এই ইঞ্জেকশন। আগামী ৮ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। তার আগে রাজ্য সরকার কে এই ঘটনায় রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *