রাজনীতি

করোনা যোদ্ধা চিকিৎসকদের আউশগ্রাম তৃণমূলের সংবর্ধনা

করোনা যোদ্ধা ডাক্তারদের সম্মান প্রদর্শন করল তৃণমূল কংগ্রেস

জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী,

      গতবছর মোটামুটি মার্চ মাস থেকেই করোনার আক্রমণে ভারতের স্বাস্থ্য দপ্তর কার্যত দিশেহারা। প্রাথমিক পর্যায়ে পর্যাপ্ত 'প্রোটেকশন' ছাড়াই অসুস্থ মানুষকে বাঁচানোর লক্ষ্যে অদৃশ্য ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামে ভারতের চিকিৎসককুল। অনেক ডাক্তার, নার্স সহ স্বাস্থ্যকর্মী অসহায় ভাবে মৃত্যুর কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছে। তারপরও মৃত্যু ভয়ে ভীত না হয়ে তারা চিকিৎসা  পরিষেবা বজায় রেখেছে। তাদের জন্যই মানুষ বেঁচে থাকার পথ খুঁজে পেয়েছে। জাতীয় চিকিৎসা দিবসে সারা রাজ্যে সেই সব ডাক্তারদের যথাযথ সম্মান জানানো হয়। ব্যতিক্রম ছিলনা গুসকরা পুরসভা।
      করোনার আতঙ্কে আতঙ্কিত হয়ে অনেক ডাক্তার তাদের চেম্বার বন্ধ করে দিয়েছেন। কিন্তু অন্যান্য রোগ করোনাকে ভয় না পেয়ে নিজেদের 'কর্তব্য' পালন করে গেছে। করোনাকে তুচ্ছ করে গুসকরায়  প্রবীণ ডাক্তার শ্যামল দাস, শিশু চিকিৎসক ডাক্তার সুব্রত ঘোষ, গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তার দেবতনু দত্ত ও ডাক্তার দেবজ্যোতি ঘোষ প্রমুখ সেইসব রুগীর  নিয়মিত চিকিৎসা করে  গেছেন। গুসকরা তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির পক্ষ থেকে ১ লা জুলাই তাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। চেম্বার ও কর্মস্থলে গিয়ে তাদের হাতে ফুলের তোড়া ও মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেন স্হানীয় বিধায়ক অভেদানন্দ থাণ্ডার, শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি কুশল মুখার্জ্জী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মদন মোহন চৌধুরী, গণেশ পাঁজা, পার্থ হাজরা সহ কয়েকজন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। যদিও বিধানসভায় জরুরি কাজের জন্য বিধায়ককে দ্রুত কলকাতায় যেতে হয়। ফলে সব ডাক্তারের কাছে যাওয়া তার পক্ষে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এরজন্য তিনি দুঃখপ্রকাশ করেন।
       প্রসঙ্গত ১ লা জুলাই হলো বাংলার দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী তথা রূপকার বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম ও মৃত্যু দিবস। তিনি শুধু মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না একজন বিখ্যাত ডাক্তারও ছিলেন। তাকে সম্মান জানানোর জন্য এই দিনটিকে জাতীয় চিকিৎসা দিবস হিসাবে পালন করা হয়।
    কুশল বাবু বলেন - করোনা আবহে সাধারণ গুসকরা ও তার আশেপাশের মানুষ যখন অসহায় তখন তাদের পাশে দেবদূত হয়ে দাঁড়ান এইসব ডাক্তাররা। শহর তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির পক্ষ থেকে তাদের সম্মান জানানোর সুযোগ পেয়ে আমরা গর্বিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *