রাজনীতি

হাওয়ালা কান্ডে অভিযোগ তোলার পরেই মৃত্যু অভিযুক্তের, দাবি সুখেন্দুশেখর রায়ের

হাওয়ালা কান্ডে অভিযোগ তোলার পরেই মৃত্যু, দাবি সুখেন্দুশেখরের

মোল্লা জসিমউদ্দিন টিপু,


সর্বভারতীয় হাওয়ালা দুর্নীতির পুনরায় অভিযোগ তোলার পরেই রহস্য মৃত্যু সুরেন্দ্র জৈনর, দাবি তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের।বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্যদিয়ে এই বিস্ফোরক অভিযোগটি তোলেন তিনি।পাশাপাশি ভুয়ো প্রতারক দেবাঞ্জন দেবের বিশেষ খাম পাঠানো থেকে দুর্গাপুরের স্টিল প্লান্টে কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়া সহ নানান অভিযোগে অভিযুক্ত করলেন বাংলার রাজ্যপাল কে।যদিও এখনো অবধি রাজ্যপালের তরফে সেভাবে এইসবের প্রতিবাদ মেলেনি।বেশ কয়েকবছর ধরে সাপেনেউলে সম্পর্ক রাজ্যপাল বনাম রাজ্য সরকারের। বৃহস্পতিবার তৃণমূল সাংসদ  সুখেন্দুশেখর রায় জানান – ‘ হাওয়ালা কান্ডে অভিযোগ তোলার পরেই ২৮ জুন মারা যান অভিযুক্ত সুরেন্দ্র জৈনর।কিভাবে মৃত্যু হয়েছে তার সঠিক তদন্ত চাইছি।জমি কেলেংকারী নিয়ে চুপ কেন রাজ্যপাল?  মানবাধিকার কমিশন কেন যাচ্ছে না ত্রিপুরাতে।সেখানেও তো মহিলা ও শিশুরা অত্যাচারিত!  প্রতারক দেবাঞ্জন দেবের সাথে কি সম্পর্ক ছিল রাজ্যপালের?’ এরপর বেশকয়েকটি ছবি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। সেখানে ধৃত প্রতারক দেবাঞ্জন দেব এর দেহরক্ষীর ছবি রয়েছে রাজ্যপালের পাশে।এরপরই তৃণমূল সাংসদ বলেন – ‘ দেবাঞ্জন দেব এর বিশেষ খাম ওই দেহরক্ষী পৌঁছে দিতেন রাজ্যপালের কাছে। দুর্গাপুর স্ট্রিল প্লান্টে কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। যা সাংসদ – বিধায়কদের হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা গেছে হিজবুল মুজাহিদীন জঙ্গিদের কাছে’। উল্লেখ্য,  ১৯৯১ সালে অশান্ত জম্মু ও কাশ্মিরে সেনাবাহিনীর অপারেশনে ধরা পড়েছিল আশফাক হুসেন লোন।তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হাওয়ালা কান্ডের সন্ধান পায় সেনাবাহিনী। যা জৈন হাওয়ালা কেলেংকারী হিসাবে পরিচিত। সেখানে জৈনদের ভাই সুরেন্দ্র, বলবন্ত রাই, নরেন্দ্র এবং অরবিন্দদের নাম উঠে আসে।জঙ্গিরা এদের মাধ্যমে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে টাকা তুলতো।এই কেলেংকারীতে নাম জড়িয়ে যায়  রাজনৈতিক দলের নেতাদের।বাংলার রাজ্যপাল ধনখড়ের নাম জড়ায় সেখানে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *