পুলিশ

মদ্যপ আরপিএফ কে ধরলো চিত্তরঞ্জন পুলিশ

চিত্তরঞ্জন এর এক আরপিএফ কর্মী পঙ্কজ কুমার মণ্ডলকে ধরে চিত্তরঞ্জন পুলিশএর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ।

কাজল মিত্র

:- ঘটনার সম্পর্কে জানা যায় যে শুক্রবার গভীর রাতে চিত্তরঞ্জন রেলনগরীর আরপিএফ জবান পঙ্কজ কুমার তার কিছু সঙ্গী সাথীদের নিয়ে একটি চারচাকায় করে যাওয়ার সময় এরিয়া ফাইপ এর কাছে গাড়িটি ফেঁসে গেলে সেটি সাহায্যের জন্য কুনাল সিং নামে স্থানীয় এক যুবক তাদের কাছে এগিয়ে যায় কিন্তু তাদের কাছে যাওয়ার গাড়ির মধ্যে থাকা চিত্তরঞ্জন এর একজন কর্মরত আরপিএফ জবান সহ চারজন মদ্যপান অবস্থায় গালিগালাজ করতে থাকে এবং বন্ধুক দেখিয়ে আমার গলার সোনার চেনটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টাকরে তখন ওই যুবক কোনরকমে তাদের কাছেথেকে বন্ধুক টি কেড়ে নিয়ে চিত্তরঞ্জন থানার পুলিশকে খবর দেয় এবং চিত্তরঞ্জন থানার পুলিশ এলে পঙ্কজ কুমার কে ধরে ফেললেও বাকি তিনজন পালিয়ে যায়।এই ঘটনার খবর পেয়ে চিত্তরঞ্জন এর স্থানীয় বাসিন্দা সহ সকলেই ওই দোষীর শাস্তির দাবিতে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় তাছাড়া প্রতিনিয়ত চিত্তরঞ্জন আরপিএফ দের গুন্ডামী বেড়েই চলেছে তারা মানুষের সাথে নির্মম ব্যাবহার করছে তাই এদিন চিত্তরঞ্জন এর কর্মরত আরপিএফ পঙ্কজ কুমার এরনামে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।
এনেফাইয়ার এর ইউনিয়ন নেতা ইন্দ্রজিত সিং বলেন লকডাউনের পর থেকেই চিত্তরঞ্জন শহরে অপরাধ বেড়েই চলেছে ,প্রথমে অপহরণ এরপর বলরাম সিং এর হত্যা কান্ড ,তারপর তামা চুরি প্রতিটির সাথেই আরপিএফ এর যোগ সাজেস রয়েছে ।তাছাড়া যেভাবে চিত্তরঞ্জন শহরের আরপিএফ রা নিজেদের মনমানি ভাবে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করছে তা মেনে নেওয়া যায়না ।
এই পঙ্কজ কুমারের নামে এর আগেও অনেক অভিযোগ রয়েছে কিন্তু তবুও চিত্তরঞ্জন প্রশাসন এইসব গুন্ডাদের কাজে রেখেছে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করার জন্য ।আর তাই সকলে মিলে চিত্তরঞ্জন থানায় ওই আরপিএফ কে চিত্তরঞ্জন থেকে সরানোর দাবি সহ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।চিত্তরঞ্জন পুলিশের পক্ষ থেকে ওই আরপিএফ পঙ্কজ কুমারকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করে আসানসোল জেলা আদালতে পাঠানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *