হাইকোর্ট সংবাদ

আজ বিরোধী দলনেতার ত্রিপল চুরির মামলায় এফআইআর খারিজের শুনানি

মোল্লা জসিমউদ্দিন টিপু,


শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে উঠে কাঁথি পুরসভার ত্রিপল চুরির মামলা।এই মামলায় আজ আদালত কোন নির্দেশিকা জারি করেনি।এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে মঙ্গলবার। এদিন শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবীর কাছে বিচারপতি তদন্ত প্রক্রিয়া কোন পর্যায়ে রয়েছে তা জানতে চান।সেখানে সরকারি আইনজীবী জানিয়েছেন – ‘এই মামলার তদন্ত চলছে।একজন কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরেক অভিযুক্ত ফেরার রয়েছে ‘। যদিও এদিন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী জানিয়েছেন – ‘ গতবছর ডিসেম্বর মাসে কাঁথি পুরসভা থেকে চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব ছেড়েছেন সৌমেন্দু অধিকারী। ঘটনার দিন কাঁথির অফিসে জোর করে কয়েকটি লরি ঢোকানো হয়েছিল ‘। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে এফআইআর খারিজ সহ আইনী রক্ষাকবচ পেতে দারস্থ হন বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি তাঁর আইনজীবী মারফত কাঁথি পুরসভার ত্রিপল চুরির মামলায় অভিযুক্ত হিসাবে এফআইআর টি খারিজ করার  পাশাপাশি তদন্তে অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ জারি চেয়েছিলেন। তবে কলকাতা হাইকোর্ট শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজ কিংবা আইনী রক্ষাকবচ কোনটিই দেয়নি ।উল্লেখ্য,  ইয়াস নামে প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরবর্তী দুদিন পর গত ২৯ মার্চ কাঁথির পুরসভার গোডাউন থেকে ত্রিপল চুরি নিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে। সেখানে দুজন পুরসভার কর্মীর পাশাপাশি নাম জড়ায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং তাঁর ভাই তথা কাঁথি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সৌমেন্দু অধিকারীর। কাঁথি পুরসভার গোডাউন থেকে রাতের অন্ধকারে ত্রিপল চুরি হয়েছে। তাতে এঁদের নাম জড়ায়।এই এফআইআর টি খারিজ করার জন্য এবং তদন্তে অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ জারি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হন  শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন – ‘ ৯৫ সাল থেকে কাউন্সিলর, বিধায়ক, মন্ত্রী হয়েছি।লক্ষ্মণ শেঠের মত নেতাদের হারিয়ে সাংসদও হয়েছি একসময়। চলতি বিধানসভার ভোটে তৃণমূল নেত্রী কেও হারিয়েছি।তাই ত্রিপল চুরির মামলা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কে রুখা অত সহজ নয়’। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি চলে। সেখানে কোন নির্দেশিকা জারি করা হয় নি কলকাতা হাইকোর্টের তরফে। মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। তার আগে কোন আইনী রক্ষাকবচ না মেলায় অস্বস্তি ক্রমশ বাড়ছে শুভেন্দু অধিকারী সহ তাঁর ভাইয়ের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *