রাজনীতি

দিল্লির কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে কলকাতায় বিক্ষোভ প্রদর্শন

সেখ সামসুদ্দিন,
শনিবার সারাদেশ ব্যাপি দিল্লির কৃষক আন্দোলনের প্রতি সংহতি দেখাতে বিভিন্ন কৃষক সংগঠন বিক্ষোভ প্রদর্শন কর্মসূচি পালনে তৎপরতা দেখায়। এদিন রাজভবনের সামনে সংযুক্ত কৃষক মোর্চা ও অখিল ভারতীয় কৃষক সংঘর্ষ সমন্বয় সমিতির তরফে বিক্ষোভ দেখানো হয়।অমল হালদার, সমীর পুততুন্ড, কার্তিক পাল, হরিপদ বিশ্বাসের মত বাম নেতারা ছিলেন। তিন কৃষি বিলের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ প্রদর্শন। কৃষক সংগঠনের নেতৃত্ব জানান – ” কৃষকদের সাথে কোন পরামর্শ না করে একতরফা ভাবে কৃষক স্বার্থ বিরোধী ও বৃহৎ জাতীয় এবং বহুজাতিক কর্পোরেট স্বার্থবাদী তিন কালা কৃষি বিল আনা হয়েছে। এতে কালোবাজারি বাড়বে। বাড়বে বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি ঘটবে “। রাজভবনের সামনে এই বিক্ষোভ প্রদর্শন চলে।অপরদিকে আইএসএফের একমাত্র বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকি কলকাতার মেয়োরোডে বিক্ষোভ দেখালে তাঁকে কলকাতা পুলিশ কয়েকজন আইএসএফ  অনুগামী সহ আটক করে লালবাজারে নিয়ে যায়।এতে ক্ষোভে ফেটে পড়ে আইএসএফের নেতৃত্ব।  ২৬ তারিখে অর্থাৎ আজ সারা ভারত জুড়ে ‘রাজভবন ঘেরাও’ কর্মসূচি নেয় আন্দোলনরত দিল্লির চাষিরা।সম্প্রতি দিল্লি সীমান্তে ৪০ টি কৃষক সংগঠনের যৌথ প্লাটফর্ম ‘সংযুক্ত কিষান মোর্চা’ র তরফে এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এই দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল। টানা সাত মাস ধরে চলছে এই কৃষক আন্দোলন। সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে – ‘প্রতিটি রাজ্যের রাজভবনের সামনে বিক্ষুব্ধ চাষীরা কালো পতাকা নিয়ে কেন্দ্রীয় কৃষি বিলের প্রতিবাদ জানাবেন। এরপর স্মারকলিপি পাঠানো হবে দেশের রাস্ট্রপতি কে।১৯৭৫ সালে ২৬ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল। তাই এইদিনটির বর্তমানে  সার্থকতা নিয়ে চাষিরা দেশজুড়ে রাজভবন ঘেরাও চালাচ্ছেন ‘। সম্প্রতি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর সাথে দিল্লিতে অবস্থানরত কৃষক সংগঠনের অন্যতম নেতা রাকেশ টিকাইত বৈঠক করেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য পড়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *