প্রশাসন

রামপুরহাট হাসপাতালে চালু অক্সিজেন প্লান্ট

খায়রুল আনাম বিপাশা আর্ট প্রেস,

  রামপুরহাট  মেডিকেলে  চালু অক্সিজেন  প্ল্যান্ট  
       
জেলা বীরভূমের রামপুরহাট মহকুমা হাসপাতালের গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে, এই মহকুমা হাসপাতালকে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে উন্নিত করা হয়।  তৈরী হয় পাঁচতলা ভবন। বছর দুয়েক আগে এখানে চালু হয় রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এখান থেকে বীরভূম জেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী মুর্শিদাবাদ ও ঝাড়খণ্ড রাজ্যের মানুষেরাও চিকিৎসা পরিষেবা পেয়ে থাকেন। কিন্তু এতোদিন পর্যন্ত এখানে কোনও অক্সিজেন প্ল্যান্ট না থাকার ফলে চিকিৎসা পরিষেবার কাজে যথেষ্টই অসুবিধা হচ্ছিল। কোনও রোগীর অক্সিজেনের প্রয়োজন হলে, সেই রোগীকে স্থানান্তরিত করে দেওয়া হতো বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বা কলকাতায়।   অথচ এখানে  সিটি স্ক্যান, ডিজিটাল এক্স-রে, ডায়ালিসিস, এসএনসিইউ-সহ একাধিক বিভাগ রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এখানে আরটিপিসিআর পরীক্ষা, টিউমার,  সন্দেহজনক ক্যানসার অথবা ক্ষতস্থান কতোটা ক্ষতিকর তা জানতে এফএনএসি পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।  এতো কিছুর মধ্যেও এখানে অক্সিজেন প্ল্যান্ট না থাকার কারণেই অক্সিজেন আনত৷ হতো বাইরে থেকে।     রামপুরহাট  সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যে ৩১০ টি শয্যা রয়েছে, তারমধ্যে ২৬০ টি শয্যা বরাদ্দ করা হয়েছে করোনা বিভাগের জন্য। এরমধ্যে থেকেই  ১০টি শয্যাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এইচডিইউ শয্যা রাখা হয়েছে ২০টি।   করোনার  দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের মাত্রাও কমেছে। এখন এখানে করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছেন মাত্র ২ জন।  এজন্য বোলপুরে যে করোনা হাসপাতালটি রয়েছে, সেটি ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।  কিন্তু করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কায় সমস্ত রকমের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে স্বাস্থ্য দফতর। আর সে জন্যই এখানে চালু করা হলো  লিকুইড অক্সিজেন প্ল্যান্ট।   এখানে যে  লিকুইড  অক্সিজেন প্ল্যান্টটি  চালু  করা হলো সেখান থেকে ২০ হাজার লিটার অক্সিজেন   সরবরাহ করা  যাবে। হাসপাতালের প্রতিটি শয্যার মাথায় অবশ্য অক্সিজেন প্ল্যান্টের পাইপলাইন দেওয়া হয়নি।  যে সব রোগীর অক্সিজেন প্রয়োজন হবে,  তাদের অক্সিজেন প্ল্যান্টের পাইপ লাইনের সংযোগ যে সব শয্যার মাথায় রাখা হয়েছে, সেখানে নিয়ে আসা হবে । জেলায় এই ধরনের পরিষেবা এই প্রথম চালু হলো ।।     

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *