প্রশাসন

আউশগ্রামের একাংশে বন্যা

আউশগ্রামের একাংশে বন্যা 

জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি,

; টানাগত কয়েকদিন ধরে  প্রবল বৃষ্টি চলছে, তাতে  গুসকরা পুরসভা সহ আউসগ্রামের বেশ কয়েকটি গ্রাম কুনুর নদীর জলে প্লাবিত হয়েছে।   ইতিমধ্যে গুসকরা শহরের ৪ নং ওয়ার্ডের গুসকরা রটন্তী কালীতলা, ১২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় জল ঢুকে গেছে। ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের সঙ্গে মূল শহরের সংযোগ রক্ষাকারী মেলবন্ধন সেতুর উপর দিয়ে জল বয়ে চলায় এলাকাবাসীদের অনেকখানি পথ ঘুরে শহরে আসতে হচ্ছে।পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে গত রাতেই শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা পুর প্রশাসকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য ১২ নং ওয়ার্ডে উপস্থিত হন। তার সঙ্গে ছিলেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত শ্যাম সহ তৃণমূলের স্হানীয় কর্মীরা। পুরসভার পক্ষ থেকে কুশলবাবু সমস্ত রকমের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পুরো ঘটনা বিধায়ককে জানানো হলে তিনিও সমস্ত রকমের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।এদিকে আউশগ্রাম অঞ্চলের  বাগড়াই, বাবুরবাঁধ, বসন্তপুর সহ আউশগ্রামের বেশ কিছু নিচু এলাকা  কুনুর নদীর জলে প্লাবিত হয়েছে। বসন্তপুর, বাবুরবাঁধের চাষীদের মাঠের সমস্ত তিল সহ আমন চাষ করার জন্য যে বীজ ফেলেছিল তা বন্যার জলে সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় চাষী কিশোর কুমার পাল, আবসার সেখ, সিদ্ধার্থ ঘোষ,আকবর শেখ, সাবির হোসেন মোল্লা প্রমুখের মাথায় হাত পড়ে গেছে। তারা সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছে। আউসগ্রাম-কালীদহ রাস্তার বেশ কিছু জায়গায় বন্যার জল উঠে যাওয়ায় এলাকাবাসীরা সমস্যায় পড়েছে।  পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আউসগ্রামের বিভিন্ন বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন স্হানীয় বিধায়ক অভেদানন্দ থান্ডার, আউসগ্রাম ১নং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অরিন্দম মুখোপাধ্যায়,  পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মনোরঞ্জন মাঝি, সহ-সভাপতি মৃনালকান্তি রায়, অঞ্চল প্রধান  ইমদাদুল সেখ সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। তাদের  কাছে পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত চাষীরা সাহায্যের আবেদন করে।   স্হানীয় বিধায়ক সরকার ও দলের পক্ষ থেকে সমস্ত রকমের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *