রাজনীতি

কল্যানেশ্বরী মন্দিরে হনুমান পুজো আয়োজনে তৃণমূল

কল্যানেশ্বরী তৃণমূলের কর্মীরাও হনুমান মন্দিরে পূজা অর্চনা ও প্রসাদ বিতরণ করলেন

কাজল মিত্র

:- বিজেপির কর্মী সমর্থকদের পাশাপাশি তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরাও রাম মন্দিরের এই ভূমি পূজা উপলক্ষে আনন্দিত ছিলেন।পশ্চিম বঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এখনো কন্টাইন্মেন্ট জোন থাকায় 5 তারিক পূর্ন লকডাউনের ঘোষণা করা হয়েছিল কিন্তু এই দিনেই রাম মন্দিরের ভূমি পুজো থাকার ফলে অনেকেই এইদিনটিকে পালন করে পরের দিন রামের সকল ভক্ত বৃন্দ হনুমান পুজোর পাশাপাশি লাড্ডু ও প্রসাদ বিতরণ করেন ।
আর এই রামমন্দির এর ভূমি পুজোর উপলক্ষে কল্যানেশ্বরী এলাকায় বিজেপি সমর্থকদের পাশাপাশি কল্যানেশ্বরী তৃণমূল আঞ্চলিক কমিটির পক্ষ থেকেও রাম মন্দিরের ভূমি পুজো উপলক্ষে কল্যানেশ্বরী মন্দির সংলগ্ন বিভিন্ন মানুষ ও দোকানদারদের মধ্যে লুচি ও পায়েস বিতরণ করেন তাছাড়া সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে তারা মন্দিরে পূজার্চনা ও মোমবাতি জ্বালিয়ে হনুমান মন্দিরে পুজো করেন। এদিন কল্যানেশ্বরী আঞ্চলিক কমিটির নেতা বুড়া খান ও বাবাই ঘোষালের নেতৃত্বে কল্যাণেশ্বরী মন্দির সংলগ্ন হনুমান মন্দিরে পূজা অর্চনা ও সন্ধ্যারতির আয়োজন করা হয় সেখানে আশেপাশের গ্রামের বহু মানুষকে পায়েস লুচি লাড্ডু বিতরণ করা হয় । কল্যানেশ্বরী আঞ্চলিক তৃণমূলের নেতা বাবাযই ঘোষাল জানান যে ভগবান শ্রী রামচন্দ্র কেবল বিজেপির কেনা দেবতা নয় কারণ বিজেপি শুধু রামচন্দ্র কে নিয়ে রাজনীতি করে আর কিছু নয়,
তবে রাম মন্দিরের এই প্রতিষ্ঠা দিবসে আমাদের সকলের খুশি হলেও এই করোনার পরিস্থিতিতে যেভাবে এই ভাইরাসএর প্রকোপ দিনেরপর দিন বাড়ছে সেদিকটাও। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেখা দরকার।কারন মানুষই যদি না থাকে তাহলে ভক্তি আসবে কথা থেকে তাই ভক্তির ও আস্থার পাশাপাশি শিল্প ব্যবসা-বাণিজ্য সহ স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দিতে হবে। যা বিজেপি সরকার আসার পর এসব দিকে নজর না দিয়ে শুধু
ধর্মের ও দেশের সেনাদের নিয়ে রাজনীতি করেন ।এই মহুর্তে সবথেকে বেশি দরকার ছিল করোনার ভ্যাকসিন বের করা কিন্তু তা নাকরে মন্দির প্রতিষ্ঠার কাজে বহু টাকা নষ্ট করছেন অথচ এখনো ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারলেন না ।
এদিন বুড়া খান বলেন যে আমাদের বারাবনি বিধানসভার বিধায়কের নেতৃত্বে কল্যানেশ্বরী এলাকায় আমরাও রামচন্দ্র দেবের পুজো আরতি করলাম ।
ভক্তি সকলের মনেই আছে যা যখন দরকার তখন করতে হয়।আর আমাদের তৃণমূলের সরকার
মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী সব ধর্ম নির্বিশেষে সকল ধর্মকে সন্মান দেন কারন ধর্ম নিয়ে তিনি রাজনীতি করেন না।কিন্তু এই আর এসএস ও বিজেপি দল
ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে দেশে দাঙ্গার পরিবেশ সৃষ্টি করে দেশকে বেকারত্বের দিকে ঠেলে দিচ্ছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *