সাহিত্য বার্তা

তসলিমা তোমার জন্য

তসলিমা তোমার জন্য,
বন্দনা দাস,

তোমার অনুসরণে হাঁটছি আমি’ “তসলিমা নাসরিন “
আমাদের ও যদি থাকে কোন বাদানুবাদ –
অথবা দেশীয় কোন যৌগ-মৌলের সংঘাত,
দেখে যেতে চাই কি বিচার হয় আমার ।
তোমার লেখনীতে করে মাথা নত, হাজারো আগ্নেয়াস্ত্র ;
ভয়পায় রক্তচক্ষুর দল , লজ্জায় মুখ লুকায়।
উগ্রপন্থার ভয়ে সরে থাকে আমাদের জন্মভূমি-
বঙ্গীয় নারীর নিয়ম ভেঙে চলা দায়।
তসলিমা তুমি আমার পথচলার কান্ডারী-
আমি তোমায় অনুসরণ করি।
বইয়ে দিতে পারবো আমি’ তোমার দৃঢ়তার জোয়ার,
তোমায় ঘিরে আছে যত অশ্লীলতার দায়,
এমন দায় আমি ও বয়ে নিয়ে যেতে চাই-
ধর্মের দোহাই, অধিকারের বল প্রয়োগে,
যারা গুঁজে দিলো মুখে ন্যাঁকড়া!!
ফেলেছিলে তসলিমা ?? থুতু ছিটিয়ে?
ধরে নাও আমি তোমার প্রতিনিধি ,চিবিয়ে ফেলবো গিলে!
ওরা কারা? আমাদের বিপরীত লিঙ্গ যারা?
শালা,জন্মের দোষ আমাদের…..
ক্ষমা করো জন্মদাত্রী, কিছুটা দোষ তোমাদের ।
তোমরা থেকেছো অন্ধকারে অন্যায় অবিচারে।
আমাদের ও রেখেছো অন্ধকারে, রেখেছো সেই পর্দার আড়ালে।
রাস্তার ধারে ওদের মুত্রত্যাগে বাধা নেই,
উদোম গায়ে নাচতে কোথাও বাধা নেই,
পরস্ত্রীতে নজর দিতে কোনো বাধা নেই,
ওদের জন্য সব পারাপরি, ওরা আদিমানব
যত অশ্লীলতার দায় শুধু আমাদের ,
ভুলে যাও কেন, মানবী আমি সেই আদিমের।
আমি যদি তোমায় ছেড়ে রাম কে দেখি?
রহিমের হাতটা ধরে দু’পা হাঁটি?
আবার তোমার ঘরেই করি বাস?
সমাজ একাট্টা হবে? নারী-পুরুষ একত্রে ?
তোমার সিগারেটের ধোঁয়ায় মাদকতা ছরাও?
যদি সে এসে ধরা দেয় ,মুর্ছা যায়-
আমি কেন পারবো না উষ্ণতা কিনতে?
আমার বেলায় যত অপরাধ?
মিলিয়ে দেখো ,সকাল থেকে রাত-
তোমার আমার ঠিক কতটা ফারাক!!
আমি না থাকলে তুমি হতে?তুমি না হলে আমি??
অভিযোগ নয় আবাহন তসলিমা মানে তাই।
জনতার দরবাবে মানুষের ঘরে ঘরে,
আমাদের করো সাদরে গ্রহন॥

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *