রাজনীতি

সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বিরুদ্ধে সবুজময় পূর্ব বর্ধমান

সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বিরুদ্ধে ‘সবুজময়’ পূর্ব বর্ধমান 

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

, এবারের একুশে বিধানসভা ভোটে হিন্দু বনাম মুসলমানদের বিভাজনের বিরুদ্ধে পূর্ব বর্ধমান জেলা সবুজময় হলো। এই জেলার ১৬ টি আসনের মধ্যে ইতিমধ্যেই ১০ টি জয়লাভ করেছে তৃণমূল এবং এই খবর লেখা অবধি বাকি ৬ টি আসনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছে তৃণমূল প্রার্থীরা।এই আসন গুলির মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ভাবে রয়েছেন রাজ্যের দুজন মন্ত্রী। স্বপন দেবনাথ তাঁর নির্বাচনী ক্ষেত্র পূর্বস্থলী দক্ষিণ কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন।আবার সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী তাঁর নির্বাচনী ক্ষেত্র ভোটঘোষনার পর মঙ্গলকোট থেকে মন্তেশ্বরে বদল করা হলেও তিনি জিতেছেন।দলবদলকারী বিধায়কদের মধ্যে কালনার বিশ্বজিৎ কুন্ডু এবং মন্তেশ্বরের সৈকত পাঁজা হেরেছেন তৃণমূল প্রার্থীদের কাছে।খন্ডঘোষে জিতেছেন তৃণমূল প্রার্থী নবীনচন্দ্র বাগ, রায়নায়  জেলাসভাধিপতি তথা তৃণমূল প্রার্থী শম্পা ধারা, ভাতারে তৃণমূল প্রার্থী মানগোবিন্দ অধিকারী, গলসীতে তৃনমূল প্রার্থী নেপাল চন্দ্র ঘোড়ুই, জামালপুরের তৃণমূল প্রার্থী অলোক কুমার মাঝী, কালনায় তৃণমূল প্রার্থী দেবপ্রসাদ বাগ, বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী খোকন দাস,  বর্ধমান উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নিশীথ কুমার মালিক, পূর্বস্থলী দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী স্বপন দেবনাথ,  মন্তেশ্বরে তৃণমূল প্রার্থী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী জিতেছেন। পাশাপাশি পূর্বস্থলী উত্তর, মঙ্গলকোট, কেতুগ্রাম,কাটোয়া,আউশগ্রামে তৃণমূল প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন বলে প্রকাশ। চলতি বিধানসভার নির্বাচনে ভোটপ্রচারে যেভাবে কড়া হিন্দুত্বে ফোকাস রেখে বিজেপির নেতারা প্রচার চালিয়েছেন। তাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী ভোটাররা দুহাত ভরে তৃণমূল প্রার্থীদের জিতেয়েছেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ বিভিন্ন রাজ্যের গেরুয়া মুখ্যমন্ত্রীরা বিভিন্ন সময়ে ভোটপ্রচারে এসেছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলাতে।আবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় – ডায়মন্ডহারবার সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রাও সভা সেরেছেন এই পূর্ব বর্ধমান জেলাতে। বিভিন্ন মন্দিরে পুজো দিয়ে ভোটপ্রচার শুরু করেছিলেন বিজেপি প্রার্থীরা।বিভিন্ন জনের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজন কর্মসূচিও নিয়ে ছিলেন জেপি নাড্ডার মতন সর্বভারতীয় নেতারা।কড়া হিন্দুত্বের আহবান ছিল, ছিল নানান প্রতিশ্রুতি। ফলপ্রকাশের দিন দেখা গেল জোড়াফুলের জয়জয়কার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *