ক্রীড়া সংস্কৃতি

মুক্তি পাচ্ছে ‘ট্রাস আপ ‘

গোপাল দেবনাথ

-ট্রাস আপ
আনলক অধ্যায়ে এসে সকলেই আবার নতুন করে কাজের দুনিয়ায় প্রবেশ করছে। বিনোদন জগতও এব্যাপারে উৎসাহ দেখাচ্ছে। এই সময়ে পৃথিবীর( আনদ্ধ শিল্পে) পারকাশন শিল্পে উচ্চারিত নাম অভিষেক বসু ওঁর তৃতীয় চলচ্চিত্র ‘ট্রাস আপ ‘ পরিচালনার কাজটি করে ফেলেছেন যার প্রযোজনার কাজটি করেছেন হেমন্ত মার্দা যাকে আমরা এই ধরণের ব্যবসায়িক ঝুঁকি পূর্ণ কাজে অগ্রণী বলেই জানি। ট্রাস আপ কথাটির অর্থ কাউকে পিছমোড়া করে বেঁধে রেখে তার গতি রোধ করা। লা পেলিকিউলা মোশন পিকচার্সের তত্ত্বাবধানে ছবিটি মুক্তি শীঘ্রই পেতে চলেছে যার কার্যনির্বাহী কর্তা অয়নজিত সেন ।
এই ভিন্ন স্বাদের ছবিটিতে চিত্রনাট্য, পরিচালনা ও সংগীত পরিচালনার কাজটি একযোগে সম্পন্ন করেছেন অভিষেক বসু। সহ -পরিচালক এবং সংলাপ রচনায় রয়েছেন বিশিষ্ট পোশাক শিল্পী তেজস গান্ধী। তিনি এই ছবিতে সাজ পোশাকের শিল্প সম্মত দিকটিতে আলোকপাত করেছেন। ফৈয়জ খান এই ছবির কার্যনির্বাহী প্রযোজক। একটি অর্ধনির্মিত বাড়ির মধ্যে এই ছবির রেমহর্ষক দৃশ্যগুলি ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছে যেখানে দেখানো হয়েছে একটি মেয়ে চেয়ারের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় সারাদিন পড়ে আছে। এই চরিত্রে চমৎকার অভিব্যক্তি সহ দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন অলিভিয়া মুখার্জি। এডিটিং ও সিনেটোগ্রাফির কাজ করেছেন শুভাশিস মন্ডল।পোস্ট প্রোডাকশনে আছেন সুশান্ত চক্রবর্তী। আবহ সামলেছেন অভিষেক নিজেই। সুদীপ গোস্বামীর সংগীতায়োজন বিশেষ ভাবে বলার মতো। অভিষেক ছবিটি সম্পর্কে বললেন —-এইধরণের গল্প নিয়ে বাংলায় এর আগে এরকম ছবি তৈরি হয়নি। ছবিতে সন্জনা সিক্সথ সেন্স দ্বারা প্রভাবিত হয়ে একই রকম একটা খারাপ জায়গায় তার ঘনিষ্ট বন্ধুকে দেখতে পায় তার স্বপ্নে। পুরো গল্প এখনই বলা যাবে না। দর্শকদের জন্য সাসপেন্স থাক।না দেখলে মিস করবেন।
তবে বলতে পারি এই সিনেমা আগামী দিনের চলচ্চিত্রের চিন্তা ভাবনা বদলে দেবে। ইতিমধ্যেই রোম ইন্টার ন্যাশনাল প্রিজমা অ্যাওয়ার্ড( ইটালি), ইন্দো আমেরিকান ইন্টার ন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অফ ওয়ার্লড সিনেমা,ডাইরেক্ট মান্থলি অনলাইন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল সহ পাঁচটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছে। এবং আরও পুরস্কারের আশায় যা আর কিছুই নয় এগিয়ে যাবার ছাড়পত্র একজন শিল্পীর জীবনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *