ব্লাইন্ড একাডেমীর শিশুদের নিয়ে বসন্ত উৎসবে …

ব্লাইন্ড একাডেমীর শিশুদের নিয়ে বসন্ত উৎসবে …

প্রীতিলতা বন্দ্যোপাধ্যায় :পূর্ব বর্ধমান

ওরা স্পর্শ করে বলতে পারে কে ওদের কাছে আছে। ভালোবাসাই ওদের কাছে সব থেকে বড় সম্পদ। চোখের দৃষ্টি না থাকলেও মনের দৃষ্টি দিয়ে ওরা সবার থেকে অনেক আলাদা। বলা যেতে পারে ঈশ্বরের একটা অপূর্ব দান ওরা।
গত বছরের মত এই বছরও বর্ধমান সহযোদ্ধার পক্ষ থেকে এক অভিনব বসন্ত উৎসবের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল পঞ্চম দোলকে সামনে রেখে।।

ওই বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রথমে সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পরে প্রত্যেকের সঙ্গে তারা ফুলের রেনু নিয়ে দোল উৎসব পালন করে।

বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন রঙের ফুল গোলাপ ,দোপাটি , রজনীগন্ধা গাঁদা ফুল ইত্যাদি স্কুলের পাপড়ি দিয়ে তারা আজকে দোল উৎসব পালন করল।

এমন অভিনব দৃশ্যের সাক্ষী থাকতে পেরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সহযোদ্ধার সদস্যরা খুবই আপ্লুত।।।

বর্ধমান সহযোদ্ধার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি তথা বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী ডক্টর মেহেবুব হাসান, সহযোদ্ধার কাছের মানুষ সেই সঙ্গে বর্ধমান রাজ কলেজের অধ্যাপক ডক্টর ওম শংকর দুবে, প্রীতম সাহা প্রমুখ।

প্রথমেই বিদ্যালয়ে শিশুরা তাদের সংগীত পরিবেশন করে পরে তারা ফুলের পাপড়ি দিয়ে সকলের সঙ্গে দোল উৎসব পালন করে।

বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নিশিত কুমার অধিকারী জানান, গত বছর থেকে বর্ধমান সহযোদ্ধার এই প্রয়াসে তাদের ছাত্র-ছাত্রীরা খুবই খুশি। তিনি আরো বক্তব্যে জানান, তাদের ছাত্রছাত্রীরা অনেকাংশেই বিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে বড় স্তরে গিয়ে পড়াশোনা করছে এবং অনেকেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নিশিত বাবু বলেন, সর্বস্তরের মানুষ সহ সরকারের কাছে তাদের আবেদন তারাও যদি এই বিদ্যালয়টির প্রতি আরো ভালোভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে তাদের ছাত্রছাত্রীরা অনেক উপকৃত হতে পারে।

সহযোদ্ধার পক্ষ থেকে মেহেবুব হাসান এবং ওম শংকর দুবে বাবু বলেন, ওদের প্রতিভা এতটাই একদিন এই সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা সমাজের বিভিন্ন স্তরে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে এবং এবং আগামী দিনে আরো দৃষ্টিহীন ছেলে-মেয়েদেরকে তারা আলো দেখাতে পারে। এবং তারা এটাও বলেন কারো করুণার পাত্র ওরা নয় ওদের থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *