সিনির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

পয়লা ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫২তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করল দেশের অন্যতম শীর্ষ স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা চাইল্ড ইন নিড ইনস্টিটিউট (সিনি)। কলকাতার দক্ষিণ প্রান্তে সিনি পরিচালিত প্রকৃতির মধ্যে গড়া এক ভিন্ন ধারার স্কুল ‘সিরিল একাডেমীর প্রাঙ্গনে সিনির প্রতিষ্ঠা দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিল ভারতের চারটি রাজ্যের চার কিশোর-কিশোরী। উপস্থিত ছিলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবহন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী দিলীপ মন্ডল, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য শিশু সুরক্ষা আয়োগের চেয়ারম্যান শ্রীমতি তুলিকা বোস এবং উপদেষ্টা শ্রীমতি অনন্যা চক্রবর্তী চ্যাটার্জি এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যাক্তি।

৫২ বছর ধরে মা, শিশু ও কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা, সুরক্ষা এবং পরিবেশ নিয়ে দেশের আটটি রাজ্যে প্রায় এক কোটি মানুষের সাথে যুক্ত এই সংস্থার সিইও ডঃ ঈন্দ্রাণী ভট্টাচার্য এই বছরের প্রতিষ্ঠা দিবসে প্রতিরক্ষামূলক আরোগ্য বিধি নিয়ে সিনির নতুন উদ্যোগ “শুভায়ু” র উদ্বোধন করে বলেন, অসংক্রামক রোগের বাড়বাড়ন্তর যুগে এই উদ্যোগ সমাজের বিভিন্ন অংশের বিভিন্ন বয়সের মানুষের স্বাস্থ্য ও সুস্থতার কথা মাথায় রেখে আগামী দিনে কাজ করবে। এইদিন উপস্থিত সকলের ব্লাড সুগার, প্রেসার এবং অন্যান্য প্রাথমিক পরীক্ষার বিনামূল্যে ব্যবস্থাও ছিল। রাজ্যের মন্ত্রী সিনির সাথে তাঁর দীর্ঘদিনের যোগ এবং সিনির কাজের ব্যাপকতা নিয়ে বেস্তারিত আলোচনা করেন।

৫২তম প্রতিষ্ঠা দিবসে সিনি বেশ কিছু সংস্থা এবং ব্যাক্তিকে সমাজের জন্য তাঁদের অবদানের কথা মাথায় রেখে সম্মানিত করে। এর মধ্যে উত্তর বঙ্গের বন্যার সময় দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেবার জন্য জলপাইগুড়ি জেলার নাগরাকাটা ব্লকের বিডিও শ্রী ইরফান মোল্লা হোসেন, ওড়িশার বিশিষ্ট পরিবেশবিদ হিসেবে খ্যাত সাত্ত্বিক সোল ফাউন্ডেশনের কর্ণধার শ্রী সত্যব্রত শ্যামল, বর্জ্য ফুল নিয়ে সিইএসসি এবং সিনির সাথে উল্লেখযোগ্য কাজের জন্য দমদম মিউনিসিপ্যালিটি, শৈশব কালীন ডায়াবেটিস নিয়ে সারা দেশে অসামান্য অবদানের জন্য আরোগ্য ওয়ার্ল্ড, শিশুদের জলে ডোবা থেকে রক্ষার জন্য গঠনমূলক উদ্যোগে রাষ্ট্রীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত সুন্দরবনের মৈপীঠ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শ্রীমতি জ্যোৎস্না হালদার এবং সিনির শিশু জলে ডোবা নিয়ে উদ্যোগে সহযোগের জন্য পনের জন কবচ-মাকে পুরস্কৃত করা হয়।

এদিন সিনির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ডাঃ সমীর চৌধুরী গত বছরের বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করেন। এবং আগামী দিনে মানুষের সাথে এবং মানুষের জন্য সিনির যাত্রাপথকে বর্ণনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *