সোনার দাম নির্ধারণের বিশ্বাসযোগ্যতা সযত্নে সংরক্ষণ করা উচিত: এম পি আহমেদ

সোনার দাম নির্ধারণের বিশ্বাসযোগ্যতা সযত্নে সংরক্ষণ করা উচিত: এম পি আহমেদ

মালাবার গ্রুপ চেয়ারম্যান এম.পি.আহমেদ সাবধান করেছেন যে ভারতের সোনার দাম নির্ধারণের কিছু নতুন নতুন প্রবণতা প্রতিষ্ঠিত নিয়মগুলো থেকে সরে যাচ্ছে। ফলে দেশের সোনার বাণিজ্যের দীর্ঘকালীন বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে।

তিনি বলেছেন, সোনার দাম নির্ধারিত হয় তিনটি প্রধান বিষয় দিয়ে – আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম, মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে ভারতীয় টাকার বিনিময় মূল্য এবং আমদানি শুল্ক। কাস্টমস শুল্ক একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থির থাকলেও আন্তর্জাতিক বাজারের দামের ওঠানামা এবং মুদ্রার দামের ওঠানামা দৈনিক মূল্যের সংশোধন আবশ্যিক করে তোলে।

প্রথাগতভাবে, বাণিজ্যিক সংগঠনগুলি সোনার দাম নির্ধারণ করে স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য উপায়ে এবং সকাল সাড়ে নটার আগে ঘোষণা করে। কোনো এক দিনের জন্য নির্ধারিত দাম সংশোধন করা হয় শুধুমাত্র বাজারের ব্যতিক্রমী উত্থান পতন দেখা গেলে।

তবে এম.পি.আহমেদ লক্ষ করেছেন যে কিছু ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতির বিরুদ্ধে গিয়ে যথেচ্ছভাবে দাম বাড়াচ্ছে, ক্রেতাদের তার জন্য কোনো যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যাও দিচ্ছে না। তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে এই ধরনের প্রবণতা এই সেক্টরের উপর মানুষের বিশ্বাসে ঘুণ ধরাতে পারে এবং ক্রেতা, লগ্নিকারী আর এই শিল্পক্ষেত্রের অংশীদারদের মধ্যে দুর্ভাবনার জন্ম দিতে পারে। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে এমন কাজকর্ম করা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করেছেন, যেগুলো এই বাণিজ্যের সততা বজায় রাখার ব্যাপারে সমঝোতার সামিল।

আহমেদ আরও বলেছেন, ক্রেতাদের স্বার্থ মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার এবং সমস্ত ব্যবসায়িক প্রথারই চালিকাশক্তি হওয়া উচিত স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা। তিনি কোম্পানির ‘ওয়ান ইন্ডিয়া ওয়ান গোল্ড রেট’ উদ্যোগকেও বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন, যা চালু করা হয়েছে রাজ্যগুলির মধ্যে দামের ব্যবধান দূর করতে। তিনি বলেছেন, যেহেতু সারা দেশে করের হার একই, সেহেতু আন্তর্জাতিক মাপকাঠির সঙ্গে যুক্ত দামের সোনাও সারা দেশের একইরকম দামে বিক্রি হওয়া উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *