।। আইপ্যাকের অফিসে হানার প্রতিবাদে হাড়োয়ায় রাস্তায় নামলো তৃণমূল ।।
বসিরহাট : আই প্যাকের অফিসে ইডির হানার প্রতিবাদে হাড়োয়ায় রাজপথে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। বসিরহাটের মিনাখাঁ বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের হাড়োয়া ব্লক ২ সভাপতি ফরিদ জমাদার, যুব তৃণমূলের সভাপতি অতনু সর্দার এবং হাড়োয়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তথা হাড়োয়া ও মিনাখাঁ বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর আব্দুল খালেক মোল্লার নেতৃত্বে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়। এদিন বকজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মাজমপুর এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়। রাজ্য সড়ক ৩, অর্থাৎ রাজারহাট–হাড়োয়া রোড ধরে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে মিছিল এগিয়ে যায়। কয়েক হাজার তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকের অংশগ্রহণে গোটা এলাকা কার্যত বিজেপি বিরোধী স্লোগানে মেতে ওঠে। হাতে দলীয় পতাকা, ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে রাজ্য সড়ক। মিছিল শেষে মাজমপুর মোড়ে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়ে প্রতিকী অবরোধ করা হয়। মিছিল চলাকালীন তৃণমূলের হাড়োয়া ব্লক ২ সভাপতি ফরিদ জমাদার বলেন, “আই প্যাক একটি পেশাদার সংস্থা হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে কাজ করছে। সেখানে ইডির হানা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিজেপি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে বিরোধী দলগুলিকে ভয় দেখাতে চাইছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই ধরনের হুমকিতে ভয় পায় না এবং রাজপথে থেকেই এর জবাব দেবে।”
হাড়োয়া ও মিনাখাঁ বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর আব্দুল খালেক মোল্লা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলা আজ উন্নয়নের পথে এগোচ্ছে। এই উন্নয়নকে আটকাতেই বিজেপি ষড়যন্ত্র করছে। আই প্যাকের অফিসে ইডির হানা তারই অংশ। তৃণমূল কংগ্রেস গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে এর প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এই লড়াই চলবে। দেশের গণতন্ত্র আজ বিপন্ন। বিজেপি সরকার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে নিজেদের রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রিয়তা বাড়ছে বলেই বারবার এই ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে। কিন্তু বাংলা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।” মিছিল ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে জন্য হাড়োয়া থানার পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শান্তিপূর্ণভাবেই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। মিছিল শেষে তৃণমূল নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কেন্দ্রীয় সংস্থার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের সর্বত্র আন্দোলন আরও জোরদার করবে।










