সিঙ্গুরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর রাজ্যবাসীকে উপহার
সেখ সামসুদ্দিন, ২৮ জানুয়ারিঃ সিঙ্গুরের সভা থেকে আজ রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী সারা রাজ্য সহ জামালপুরবাসীদের জন্য ২৬ কোটি ২২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার উপহার দেন। আজ ঐ মঞ্চ থেকে জামালপুরের ৪৩৭১ জন উপভোক্তাকে বাংলার বাড়ীর দ্বিতীয় পর্যায়ের ৬০০০০ করে টাকা তাঁদের নিজস্ব ব্যাঙ্ক একাউন্টে দিয়ে দেন। এই উপলক্ষ্যে জামালপুরের ১৩ টি পঞ্চায়েতে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিটি পঞ্চায়েতে প্রধান, উপ প্রধান সহ জন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। জামালপুর ১ পঞ্চায়েতের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক,বিডিও পার্থ সারথী দে, পূর্ত কর্মাধক্ষ মেহেমুদ খাঁন, জেলা পরিষদের সদস্য কল্পনা সাঁতরা, পঞ্চায়েত প্রধান ডলি নন্দী, উপ প্রধান সাহাবুদ্দিন মন্ডল সহ অন্যান্যরা।বিভিন্ন অঞ্চলে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অলক কুমার মাঝি। মেহেমুদ খাঁন বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা কথা দেন সেই কথা তিনি রাখেন। যেখানে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ইচ্ছা করে রাজ্যের সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলার জন্য ১০০ দিনের কাজের টাকা সহ বাড়ির টাকা দেয়নি। তা রাজ্য সরকার তাঁর নিজস্ব তহবিল থেকে সেই টাকা বাংলার সাধারণ মানুষকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে মিটিয়ে দেন। এর ফলে রাজ্যের লাখ লাখ মানুষ উপকৃত হবেন। তিনি আরো বলেন মুখ্যমন্ত্রী কখনও সিপিএম, বিজেপি দেখেন না। আজকের এই মঞ্চ থেকে জামালপুর ১ পঞ্চায়েতের বেত্রাগর গ্রামের বিজেপির সক্রিয় কর্মীও চেক নিয়ে গেলেন। এখানেই এই সরকারের সাফল্য। বিডিও পার্থ সারথী দে আজ ব্লক অফিসে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, সহ সভাপতি ও পূর্ত কর্মাধক্ষকে সঙ্গে নিয়ে প্রেস কনফারেন্স করে বলেন আজ সিঙ্গুরের সভা মঞ্চ থেকে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী জামালপুর ব্লকের ৪৩৭১ জন উপভোক্তার ব্যাঙ্ক একাউন্টে আজ বাংলার বাড়ীর দ্বিতীয় পর্যায়ের ৬০ হাজার করে টাকা ছাড়া হয়েছে। অনেকের একাউন্টে ইতিমধ্যে তা ঢুকেও গেছে। তিনি রাজ্য সরকারের এটা এক বিরাট সাফল্য বলে মনে করেন। সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক রাজ্য সরকারের এই কাজকে বিপ্লবাত্মক আখ্যা দিয়ে বলেন আজ রাজ্যের ২০ লক্ষ মানুষ বাংলার বাড়ি প্রকল্পে এই ৬০ হাজার করে টাকা পেলেন।










