শিবা এন্টারটেনমেন্ট নিবেদিত “অরণ্যের উৎসব”-মুক্তির অপেক্ষায়
রাজকুমার দাস,
অরণ্যের উৎসব, এই ছবিটি অরণ্যের বিভিন্ন উৎসব ও বাউল জীবন কে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। এই বাউল জীবন যা পশ্চিম বঙ্গের বাউলকে আলোকিত করে। এই বাউল জীবন যা অজয় নদের ধারে জয়দেব কেন্দুলিতে গড়ে উঠেছে ও এই ছবিতে দেখানো হয়েছে গড় জঙ্গল যেখানে মেধাশা মুনির আশ্রম অবস্থিত যার চারপাশে রয়েছে সাঁওতাল গ্রাম।
এই ছবি তৈরির পেছনে রয়েছে দীর্ঘ দু বছরের রিসার্চ, এবং বিভিন্ন বাউল আখড়ায় ঘুরে এই ছবির তথ্য জোগাড় করা হয়েছে। বাউলের মধ্যে দুটি দিক আছে যা হলো দেহতত্ত্ব ও আধ্যাত্মিকতা।
এক বাউল আখড়ায় পৌঁছয় জুনিয়ার ডাক্তার সিদ্ধার্থ সাথে নিয়ে গেছিল তার কাছের মানুষকে। ডাক্তার এই দেহতত্ত্ব কে আপন করে নিতে পারেনি কিন্তু তার ওপর দিকে তার কাছের মানুষ এই দেহতত্বকে আপন করে নিয়ে এই বাউলদের মধ্যে মিশে যায় ও ডাক্তারের সাথে তার বিচ্ছেদ তৈরি হয়। সেখান থেকে সে বেরিয়ে এসে পৌঁছয় এক সকাল ডেরায় সেখানে সে তাদের চিকিৎসার করার মধ্যে দিয়ে জীবন যাপন করতে থাকে।
এই ছবির মূল ধারণা, গল্পো ও প্রযোজনায় রয়েছেন শ্রী সুবীর ভট্টাচার্য্য।
পরিচালক হিসেবে রয়েছেন পাবলো,শিব এন্টারটেনমেন্ট নিবেদিত “অরণ্যের উৎসব “-সিনেমাটি ইংরেজী নতুন বছরে বাংলার প্রতিটি কোণে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে।যা নতুন ছন্দে নতুন আঙ্গিকে দর্শকদের ভালো লাগবে বলে আশাবাদী ছবির কলাকুশলী থেকে সিনেপ্রেমীরা।










