রেল দপ্তরের সিনিয়র ডি ই এনকে ডেপুটেশন ও স্মারকলিপি পেশ।
জুলফিকার আলী,
দীর্ঘ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ভোগপুর স্টেশন সংলগ্ন স্থানে রেলের আন্ডারপাশ নির্মানের ওয়ার্ক অর্ডার ইস্যু হয়েছে। কিন্তু কাজের ধরন নিয়ে ও অখুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। ভোগপুর রেলওয়ে স্টেশন লেভেল ক্রসিং নির্মাণ ও উন্নয়ন কমিটির পক্ষ থেকে গতকাল রেল দপ্তরের সিনিয়র ডি ই এনকে ওই বিষয়ে ডেপুটেশন ও স্মারকলিপি পেশ করা হয়। প্রতিনিধিদলে ছিলেন কমিটির পক্ষে সহ সভাপতি মধুসূদন বেরা, যুগ্ম সম্পাদক বানেশ্বর নাটুয়া ও সদস্য মধুসূদন সামন্ত প্রমূখ। সিনিয়র ডি ই এন (ইস্ট) প্রতিনিধিদের সাথে দাবীগুলির বিষয়ে আলোচনা করেন এবং প্রতিনিধিদলকে জানান,রেল দপ্তর ওই স্থানে আন্ডারপাশ নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে টেন্ডার করে ঠিকাদারকে কাজের ওয়ার্ক অর্ডার ইস্যু করেছে। ওই ওয়ার্ক অর্ডারে ৮ ফুট চওড়া ও ৬ ফুট উচ্চতা যুক্ত আন্ডারপাস নির্মাণের কথা জানানো হয়েছে। রেলের ওই আধিকারিক জানান,ওই আন্ডারপাশ দিয়ে সাইকেল/মোটরসাইকেল/গবাদি পশু সহ খুব বেশি হলে টোটো যাতায়াত করতে পারবে। কমিটির পক্ষে মধুসূদন বেরা,বানেশ্বর নাটুয়া,মধুসূদন সামন্তরা জানান,এলাকার মানুষজনের দীর্ঘদিনের দাবী ছিল,রেল লাইনের দুই দিক এলাকার জনসাধারণের প্রয়োজনে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্স,মারুতি ভ্যান,মালপত্র পরিবহনের ছোট গাড়ি যাতায়াত করতে পারে এমন ব্যবস্থা যুক্ত আন্ডারপাস নির্মাণের। কিন্তু দপ্তরের উপরোক্ত সিদ্ধান্তে এলাকার সার্বিক সমস্যার সমাধান হবে না। আমরা বিষয়টি নিয়ে সোমবার কমিটির জরুরি সাধারণ সভা ডেকেছি। ওই সভায় আলোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য-ভোগপুর রেল স্টেশনের একদিকে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের বরদাবাড় বাসস্টপ,অন্যদিকে রয়েছে কোলাঘাট ব্লকের দেড়িয়াচক ও ভোগপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ অংশ। ওইদিকেই রয়েছে ভোগপুর ও দেড়িয়াচক হাইস্কুল সহ গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস সহ গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস।










