রজতজয়ন্তী বর্ষ উদযাপনে সাধু রামচাঁদ মূর্মু স্মৃতি বিদ্যাপীঠ।
সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:-জঙ্গলমহলের রাইপুর ব্লকের বকশী গ্রামে সাধু রামচাঁদ মুরমু স্মৃতি বিদ্যাপীঠে রজতজয়ন্তী বর্ষ ও পুনর্মিলন উৎসব অনুষ্ঠিত হলো ২২ ও ২৩ শে ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে। বাইশে ডিসেম্বর এলাকার বিশিষ্ট মানুষজন সহ সারেঙ্গা রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ সোসাইটির অধ্যক্ষ স্বামী তদ্বোধানন্দ জি মহারাজ সহ বেলুড় রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামীজি দ্বারা প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। প্রথম দিন প্রভাত ফেরী ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সাধু রাম চাঁদ মুর্মুর অবক্ষ মূর্তি র আবরণ উন্মোচন হয় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় দিন পুনর্মিলন উৎসব ও এই বিদ্যালয়ের প্রথম মাধ্যমিকের প্রথম ব্যাচ যারা পরীক্ষা দিয়েছিল তাদের সংবর্ধনা জানানো হয় এছাড়া এই বিদ্যালয় ই বিগত দিনে যে সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা শিক্ষা শিক্ষকতা করে গেছেন। তাদের সম্বর্ধনা জানানো হয়। মানস চৌধুরী স্মৃতি স্মারক সম্মান ও আর্থিক সাহায্য বিদ্যালয়ের দুই কৃতি ছাত্র ছাত্রীকে দেওয়া হয়। এবারের কৃতি ছাত্রীরা হল মাধ্যমিকে সুস্মিতা মন্ডল ও উচ্চ মাধ্যমিকে অর্পিতা দে ।কয়েক বছর ধরেই এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে । মানস চৌধুরীর তহবিল থেকে কৃতিদের সংবর্ধনা জানানো হয় বলে জানালেন বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির সম্পাদক রাজীব ঘোষ। ২৩ শে ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নৃত্য প্রদর্শন, জাদু খেলা আদিবাসী গানের অনুষ্ঠান ও অনল কাকলি অভিনীত যাত্রা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উৎপল হরকরা বলেন আমাদের বিদ্যালয়ে বিদ্যালয়টি ২০০০ সালে তৎকালীন আদিবাসী অনগ্রসর দপ্তরের মন্ত্রী উপেন কিস্কু উদ্বোধন করেছিলেন গুটি গুটি পায়ে আজ ২৫ বছর পার হলো। বর্তমানে বিদ্যালয়ে প্রায় সাড়ে আটশ ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করে আমরা মাত্র আট জন শিক্ষক রয়েছি। বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোর উন্নয়ন হয়েছে বর্তমানে বিদ্যালয়টি উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে উন্নতি হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রী অনুযায়ী শিক্ষক শিক্ষিকা অপ্রতুল ।একই কথা শোনা গেল পরিচালন কমিটির সম্পাদক রাজীব ঘোষের কথায় তিনি বলেন আপনাদের মাধ্যমে শিক্ষা বিভাগের আধিকারিকদের কাছে আমাদের বিনম্র নিবেদন আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নে এলাকার প্রান্তিক খেটে খাওয়া মানুষদের ছেলেমেয়েদের শিক্ষার উন্নয়নে অবিলম্বে শিক্ষক নিয়োগ দরকার।। এখানে উল্লেখ্য রজতজয়ন্তী বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বাঁকুড়ার আলোলিকা চক্ষু হাসপাতালের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাক্তার অনুপ মন্ডলের সহযোগিতায় ৩ শতাধিক মানুষের অন্ধত্ব নিবারণে বিনা মূল্যে চক্ষু পরীক্ষা করা হয়। তাদের মধ্যে ৫০ জনকে বিনামলে অপারেশন করা হবে বলে হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।










