বকেয়া কম্পোজিট গ্র্যান্ট প্রদান ও টেট সমস্যার সমাধান সহ ১১ দফা দাবিতে ডেপুটেশন

বকেয়া কম্পোজিট গ্র্যান্ট প্রদান ও টেট সমস্যার সমাধান সহ ১১ দফা দাবিতে ডেপুটেশন

সেখ রিয়াজুদ্দিন বীরভূম
প্রথম শ্রেণী থেকে পাশ ফেল চালু । কুসংস্কার মুক্ত বিজ্ঞান ভিত্তিক সিলেবাস প্রণয়ন।১ম ও ২য় শ্রেণীর বাংলা, গণিত, ইংরেজি, অঙ্কন এবং ৩য়, ৪র্থ, ৫ম শ্রেণীর ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞানের পৃথক পৃথক বই সরবরাহ । অবিলম্বে সমস্ত বকেয়া কম্পোজিট গ্র্যান্ট প্রদান । শিক্ষাকর্মী ও শ্রেণীভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ। শিক্ষকদের সাধারণ বদলি চালু । টেট সমস্যা সমাধান করে অবসরের দিন পর্যন্ত চাকরিতে বহাল।
অবসরের সঙ্গে সঙ্গে পেনশন চালু।এস আই, ডি আই, কাউন্সিল অফিসের শূন্য পদে নিয়োগ।সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে অবিলম্বে ২৫ শতাংশ ডি এ প্রদান।টালবাহানা না করে সপ্তম বেতন কমিশন গঠন ও কার্যকর করা। উক্ত ১১ দফা দাবির প্রেক্ষিতে বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির দাবি দিবসে সংগঠনের পক্ষ থেকে বীরভূম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতির নিকট প্রতিনিধি মূলক ডেপুটেশন প্রদান করা হয়। সংগঠনের জেলা সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন বলেন – বিদ্যালয় পরিচালনার কম্পোজিট গ্র্যান্ট গত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের ৫০ শতাংশ এবং বর্তমান বছরের ৭৫ শতাংশ বাকি। ফলে বিদ্যালয় গৃহ, বেঞ্চ সারানো তো দূরের কথা ইলেক্ট্রিক বিল সহ চক ডাস্টার, বাথরুম পরিষ্কারের জিনিস পত্র কিনতেই হিমসিম। পাশাপাশি বাজারদর অনুযায়ী বরাদ্দ না থাকায় পুষ্টিকর খাদ্য তো দূরের কথা প্রতিদিনের মিড ডে মিল চালু রাখাটাই আজ চ্যালেঞ্জ। তিনি আরও অভিযোগ তোলেন যে,একদিকে শ্রেণী ভিত্তিক শিক্ষক নেই। শিশু শ্রেণী ও পঞ্চম শ্রেণী যুক্ত করলেও তাদের জন্য কোন শিক্ষক বা শ্রেণীকক্ষের বন্দোবস্ত করা হয়নি। শিক্ষাদান বহির্ভূত হাজার কাজের ঝক্কি হিসেবে ভোটের কাজ, জনগণনা, এস আই আর ইত্যাদি। যার ফলে প্রাথমিকে শিক্ষাদানটাই গৌণ হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষকদের জীবন চরম সঙ্কটে। তাদের না আছে মর্যাদা না আছে স্থায়ীত্ব। নিয়োগ দুর্নীতিতে শিক্ষক সমাজকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। হাইকোর্টে ৩২ হাজার শিক্ষক স্বস্তি পেলেও তা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্টের টেট সংক্রান্ত রায়ে শিক্ষক অতিশয় আতঙ্কিত। অবসরের পর শিক্ষকদের পেনশন নিয়ে হয়রানি চলছে। শূন্য পদে কর্মচারী নিয়োগ না হওয়ার কারণে এস আই , ডি আই, কাউন্সিল অফিসের নানান
কাজে শিক্ষকদের হয়রানির শেষ নেই। সুপ্রিম কোর্ট ২৫ শতাংশ ডি এ দেওয়ার বারংবার নির্দেশ দিলেও সরকার কৌশলী পদক্ষেপে এড়িয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে সপ্তম বেতন কমিশন ঘোষণা এখনো হলো না বলে ক্ষোভ উগরে দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *