এস আই আর এর নামে সাধারণ মানুষদের হয়রানির প্রতিবাদে ডেপুটেশন রাজনগর ব্লকে
সেখ রিয়াজুদ্দিন বীরভূম
এস আই আর এর জট কেটে ও না কাটা এনিয়ে সাধারণ মানুষজন বিভ্রান্ত এবং আতঙ্কিত। এমনকি আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটেছে বলে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ ওঠে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার তথ্য অনুযায়ী ফর্ম পূরণ করা থেকে শুরু করে ব্লক স্তরে বৈধ নথিপত্র নিয়ে শুনানি শিবিরে হাজিরা দেওয়া। ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রমাণ করতে নানা ঝক্কি। তবুও রেহাই পাওয়া যায় নি। এবার খসড়া ভোটার তালিকায় বেশ কিছু ব্যক্তির নামের পাশে স্ট্যাম্প পড়ে যায় যাহা বিচারাধীন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আবার একবার নাজেহাল অবস্থা সাধারণ ভোটারদের। সেই প্রেক্ষিতে শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর রাজনগর রাহে ইসলাম সমাজ কল্যাণ সোসাইটির ডাকে রাজনগর ইমামবাড়া প্রাঙ্গণ থেকে সুসজ্জিত এক বিশাল মিছিল বের হয় এবং রাজনগর ব্লকের সামনে জমায়েত হয় ডেপুটেশন প্রদানের জন্য। কিন্তু রাজনগর বিডিও বা জয়েন্ট বিডিও না থাকায় বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভে ফুঁসতে থাকে এবং বিডিও না আসা পর্যন্ত অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। রোজা খোলার সময় হয়ে আসলেও অবস্থান বিক্ষোভ জারি রাখা হয়। পরবর্তীতে বিডিও স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ডেপুটেশন গ্রহণ করেন। রাজনগর রাহে ইসলাম সমাজকল্যাণ সোসাইটির সম্পাদক আবুল ফজল খান এবং যুগ্ম সম্পাদক মহম্মদ শরীফ এক সাক্ষাৎকারে বলেন এস আই আর এর নামে সাধারণ মানুষদের অযথা হয়রান করা হচ্ছে। শুনানি শিবিরে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষজনের নাম থাকলেও খসড়া তালিকায় দেখা যাচ্ছে বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজনের নামের পাশে স্ট্যাম্প পড়ে আছে বিচারাধীন বলে।বিডিও র কাছে সেটাই প্রশ্ন ছিল কি এমন ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করা হয়েছে যাহা একটি সম্প্রদায়ের মানুষজন সাদা এবং অন্য সম্প্রদায়ের মানুষজন কালো হিসেবে বেরিয়ে আসে। আরও বলেন যে রাজনগর ব্লক এলাকায় ৬৯৪২০ জন বৈধ ভোটার।৫৭,০১৭ জনের নাম উঠেছে।১২৩ জনের নাম বাদ পড়েছে। স্থানান্তরিত সহ বাকি ১২,২৮০ জনের নাম বিচারাধীন রয়েছে। যদিও বিডিও সাহেব ডেপুটেশন প্রদানকারীদের আশ্বস্ত করেন যে এ ই আর ও হিসেবে বিচারকের বসে সমস্ত নাম নথি যাচাই করে নাম তোমার চেষ্টা করা হচ্ছে।বৈধ ভোটার যেন কোনো অবস্থায় বাদ না পড়ে সেদিকটা লক্ষ্য রাখা হয়েছে।









