আট বছর ধরে ভাইপোকে কোলে পিঠে করে মানুষ করলো কাকা। শেষে উপহার হিসাবে মিলল মিথ্যা অপহরণের মামলা।সুদূর মোম্বাই থেকে ফিরতে হল কাকাকে।

আট বছর ধরে ভাইপোকে কোলে পিঠে করে মানুষ করলো কাকা। শেষে উপহার হিসাবে মিলল মিথ্যা অপহরণের মামলা।
সুদূর মোম্বাই থেকে ফিরতে হল কাকাকে।

পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড়ের বামশোর গ্রামের ঘটে গেল এক অভাবনীয় ঘটনা। ছোট্ট দুই শিশুকে ফেলে মা শর্মিলা চালক বছর আটেক আগে বাড়ি থেকে চলে যায়। একটি ছেলে ও একটি মেয়ে।
মেয়ে তার মামার বাড়ি চলে গেলেও বাচ্চা ছেলেটির তার কাকার রবি চালকের কাছে থেকে যায়।
ওই শিশুর বাবা শ্রীকান্ত চালকের অভিযোগ তার স্ত্রী শর্মিলা চালক পরকীয়ার জেরে বাড়ি থেকে চলে যায়।

ছোট্ট ছেলে অনুরাগ চালক
আস্তে আস্তে বড় হয় কাকা ও কাকিমার আদরে।
তারপর অনেক বছর কেটে গেছে ওই ছোট্ট শিশু ভুলে গেছে মায়ের কথা মা মানে সে কাকিমাকেই জানে।
বাবা হয়ে উঠেছেন কাকা।

কাকা পরিযায়ী শ্রমিক সে মুম্বাইয়ে কাজ করে।
কত এক মাস আগে সে তার ভাইপোকে ঘুরতে নিয়ে যাব বলে মুম্বাই নিয়ে যাই।
আর এটাই হলো কাল।
কি করে মা থানায় অভিযোগ করে তার ছেলেকে নাকি অপহরণ করা হয়েছে।

অভিযোগের কথা জানতে পেরে কাকা ভাইপো কে নিয়ে তড়িঘড়ি মুম্বই থেকে গ্রামে ফিরে আসেন। শনিবার তিনি ভাইপোকে সঙ্গে নিয়ে ভাতাড় থানায় হাজির হন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ও কিশোরের বাবা, কাকা ও কাকিমা সহ মামার বাড়ির লোকজন।
তবে ওই কিশোর পুলিশকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন তাকে কেউ অপহরণ করেনি। সে কাকার সঙ্গে গিয়েছিল বেড়াতে।
অপরদিকে ওই বালকের মায়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,
আমি অনেক কষ্টের মধ্যে সংসার ছেড়েছি। কোন পরকীয়া নয়। আমি কলকাতায় কাজ করি।

তবে এই করুন ঘটনার সাক্ষী রইল বামশোর গ্রাম।

ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *