আচমকাই অন্ধকার হাইকোর্টের এজলাস,  মোবাইল আলোতে রায় লিখলেন বিচারপতি 

মোল্লা জসিমউদ্দিন ,

আবার কর্মব্যস্ত দিনে দুপুরে অন্ধকার  নেমে এল কলকাতা হাইকোর্টে। আচমকাই অন্ধকার হয়ে যায় বিভিন্ন এজলাস। বুধবার  এভাবে আচমকা এভাবে অন্ধকার নেমে আসায় হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা শোরগোল পড়ে হাইকোর্ট চত্বরে ।  আচমকা লোডশেডিং হয়ে গিয়েছিল। তার জেরেই অন্ধকার নেমে আসে। লিফট, এক্সেলেটর সব  বন্ধ হয়ে যায়। গোটা হাইকোর্টের বিভিন্ন ঘরে তখন অন্ধকার। বুধবার ব্যস্ত সময় আঁধারে ঢাকল কলকাতা হাইকোর্ট । ১২টা ৪৯ মিনিটে অন্ধকারে ডুবে যায় কলকাতা হাইকোর্টের বিভিন্ন এজলাস। অন্ধকারে ডুবে যায় সমগ্র হাইকোর্ট। বন্ধ হয়ে যায় একাধিক লিফট, এক্সেলেটর। থমকে যায় বিচারপ্রক্রিয়া। মোবাইল ফোনের আলো জ্বেলে রায় লিখলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।আটকে যায় লিফট। বহু আইনজীবী ও মামলাকারীরা লিফটে আটকে পড়েন। তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।লোডশেডিংয়ের জেরে হাইকোর্টের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারই জেরে এই বিপত্তি। আদালত সূত্রে জানা গেছে , সেই সময় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে একটি মামলা চলছিল। আচমকা লোডশেডিং এ পুরো ঘর অন্ধকার হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে এজলাসে উপস্থিত ৫০ জন আইনজীবী সহ অন্যান্যরা মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে এজলাস কে আলোময় গড়ে তোলে । মোবাইল ফোনের সেই আলোতে মামলার রায় লিখলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।পরে স্বাভাবিক হয় বিদুৎ ব্যবস্থা। 

Leave a Reply