বৈঁচি চন্ডীমাতা মন্দিরের দ্বারোদঘাটন 

শেখ রাজু,

;নবনির্মিত বৈঁচি চন্ডীমাতা মন্দিরের দ্বারোদঘাটন হয় বুধবার । মঙ্গলকোট বিধানসভার সরগ্রাম অঞ্চলে বৈঁচি গ্রামে স্বর্গীয় রবীন্দ্রনাথ দত্ত ও সাধনা দত্তের স্মৃতির উদ্দেশ্যে পিন্টু দত্ত ও সুপ্রীতি দত্তের পূর্ণ সহযোগিতায় মন্দিরটি পুনঃ নির্মাণ হয় । বেলুড় মঠ রামকৃষ্ণ মিশনের স্বামী বিশ্বনাথানন্দ মহারাজ মন্দিরের শুভ উদ্বোধন করেন । উল্লেখ্য বিংশ শতাব্দীর প্রাচীন কুলদেবী চন্ডীমাতার পুজো হয়ে আসছে । প্রথমে আটচালা দিয়ে শুরু হওয়া মন্দির ধীরে ধীরে আজ নতুন রূপ নেয় । প্রতিবছরই জামাইষষ্ঠীর পর দশহারা পুজো এখানে ধুমধামের সহিত অনুষ্ঠিত হয় পাশাপাশি প্রতিদিন দেবী চন্ডীমাতার নিত্য সেবা হয়ে থাকে । বেলুড় মঠ রামকৃষ্ণ মিশনের স্বামী বিশ্বনাথানন্দ মহারাজ প্রশেসন সহ সমগ্র গ্রাম প্রদক্ষিণ করেন । পরে মন্দির নির্মাণের মূল উদ্যোক্তা পিন্টু দত্ত ও সুপ্রীতি দত্তের পূর্ণ সহায়তায় ফিতে কেটে মন্দিরের দ্বার উদঘাটন করেন । মহিলা ঢাকি, ছৌ নিত্য, ব্যান্ডপার্টি সহযোগে এবং স্থানীয় কচিকাঁচাদের উপস্থিতিতে স্বামী বিশ্বনাথানন্দ মহারাজীকে স্বাগতম জানানো হয় এদিন ।
দেবাশীষ সাঁই, পার্থসখা মুখার্জী, গোপীকান্ত মুখার্জী, অসীমা রেজ, উপাপ্রসাদ ব্যানার্জি প্রমুখরা জানান -“ভূমিপুত্র পিন্টু দত্তের এই উদ্যোগ অতুলনীয় । বৈঁচি চন্ডীমাতা মন্দির নতুন রূপে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় আমরা খুব খুশি । পিন্টু দত্তের এই মহান উদ্যোগের উদ্বোধনে স্বামী বিশ্বনাথানন্দ মহারাজীর আগমনে আমরা ধন্য । আগামী সময় গ্রামের মানুষের সাহায্যার্থে অ্যাম্বুলেন্স প্রদানের কথা রেখেছেন পিন্টু দত্ত । তার সমাজকল্যাণ মুখি, মানবদরদি কাজকে কুর্নিশ জানাই” ।মন্দির নির্মাণের উদ্যোক্তা পিন্টু দত্ত জানান -“স্বর্গীয় পিতা ও মাতার স্মৃতি রক্ষার্থে এই মন্দির নির্মাণ করেছি । আগামী সময় গ্রামবাংলার মানুষের সাহায্যার্থে একটু একটি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হবে । কুলদেবীর মন্দির নির্মাণে দেবী চন্ডীমাতা শত কৃপা বর্ষণ হওয়াতেই আজকে সফলতার সহিত মন্দির নির্মাণ এবং তার দ্বারোদঘাটন সম্পন্ন হয়েছে । এইকাজে গ্রামের সকল মানুষ পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন । গ্রামের সকলকে নিয়ে আগামী সময় দেবী চন্ডীমাতার পুজোতে আমরা মগ্ন থাকবো” ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *