বৈদ্যবাটির প্রাক্তন পুর চেয়ারম্যান মারা গেলেন

রাজনীতি

প্রবীর বসু


সি.পি.আই(এম) বৈদ্যবাটি-শেওড়াফুলি এরিয়া কমিটির অন্তর্গত পূর্বতন বৈদ্যবাটি-শেওড়াফুলি জোনাল ও লোকাল কমিটির সদস্য কমরেড সুজিত(কাজল) গুহের জীবনাবসান হয়। দূরারোগ্য ক্যানসার রোগে ভোগার পর শনিবার সকালে কলকাতার এক বেসরকারী হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭০ বছর। বাড়িতে তার স্ত্রী ও একমাত্র কন্যা বর্তমান। ১৯৬৯ সালে কমরেড গুহ পার্টিসদস্যপদ লাভ করেন। ১৯৮১ সালে প্রথম পৌর নির্বাচনে বৈদ্যবাটি পৌরসভার কনিষ্ঠতম চেয়ারম্যান হন। ১৯৮১ সালের পর ২০০৫ সালেও তিনি নির্বাচিত হয়ে পৌরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। মৃত্যুকাল পর্যন্ত তিনি পার্টির একজন সাংস্কৃতিক কর্মী ছিলেন। সাংস্কৃতিক কর্মী ছাড়া শিল্পকলা ভাস্কর্য শিল্পী হিসেবেও তিনি জনপ্রিয় ছিলেন। তার মরদেহবাহী শকট বৈদ্যবাটি পৌরসভায় পৌছালে সেখানে বৈদ্যবাটি পৌরসভার পৌরপ্রধান অরিন্দম গুঁই ও পৌরসভার কাউন্সিলাররা মাল্যদান করেন। পরে সেখান থেকে শবদেহ বাহী শকট পার্টির ১০ নং ওয়ার্ড অফিসে আসে। সেখান থেকে আন্তর্জাতিক গান ও অর্ধনমিত রক্তপতাকা সহ শোকমিছিল শুরু হয়। জি.টি রোড ধরে শোকমিছিল পার্টির এরিয়া কমিটির অফিসে পৌঁছায়। পার্টির এরিয়া কমিটির অফিসে মাল্যদান করেন পার্টির জেলা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য মিতালী কুমার,জ্যোতিকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায়, জয়দেব চট্টোপাধ্যায়, রামকৃষ্ণ রায়চৌধুরী, তীর্থঙ্কর রায়, এরিয়া সম্পাদক শিবপদ ভট্টাচার্য্য সহ বামফ্রন্ট নেতৃত্ব সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। পার্টির রাজ্যকমিটির সদস্য সূদর্শন রায়চৌধুরী ও জেলা সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ কমরেড গুহের প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেন। পরে বৈদ্যবাটি হাতিশালা ঘাট শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। রাস্তার দুধারে মানুষের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.