বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, সন্তানের জন্ম দিল এক নাবালিকা

পুলিশ

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস কন্যাসন্তানের জন্ম দিল নাবালিকা।

সৃজনশীল দক্ষিণ ২৪ পরগনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় লালপুরে বাড়ি শাহাবুদ্দিন পেয়াদা মেয়ে সালমা পেয়াদা বয়স বর্তমান মাসে(১৮ বছর) স্থানীয় যুবক ইকবাল পেয়াদার বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতো। বাবা শাহাবুদ্দিন পিয়াদা মরণ রোগে রোগে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে থাকেন। তার মুখে অন্ন জোগাতে পাশের ইকবাল পেয়াদার বাড়িতে কাজ করতো। একই বাড়িতে দীর্ঘ সময় কাটাবার ফলে নাবালক এবং নাবালিকার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের মধ্য দিয়ে ইকবাল এবং সালমা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। দিনের পর দিন চলতে থাকে দুজনার মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক। শেষমেষ সালমা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দিতে থাকে ইকবাল। কিন্তু সালমা বলে যেহেতু ইকবাল পেয়াদা তাকে বিয়ে করবে বলে দিনের পর দিন সহবাস করেছে সেহেতু সে সন্তান নষ্ট করতে চায়না। যেহেতু তার প্রথম প্রেমের ফসল এই সন্তান। গর্ভের মধ্যে সন্তান ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। বাধ্য হয়ে সালমা ইকবালের মার কাছে জানায়, বলে আপনার ছেলে আমাকে এই অবস্থা করেছে, ছেলের মা তখন বাচ্চাটিকে মারার চেষ্টা করেন এবং বলেন কোন নার্সিংহোম কি হসপিটালে নষ্ট করার জন্য কিন্তু সালমা তা করতে না দিয়ে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করে মাত্র কয়েকদিন আগে। সেই রাত্রে ছেলের মা সন্তানটিকে মুখে কাপড় গুঁজে মারার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। তার মায়ের কাছে দিব্যি করে কথা দেয় এই সন্তানের কথা কাউকে জানাবে না। শেষমেষ প্রাণে বেঁচে যায় শিশুসহ মা। বাচ্চাটাকে নিয়ে চলে আসে বাপের বাড়িতে। কিন্তু সত্য কখনো চাপা থাকেনা। এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। গ্রামের লোকেদের কথামতো মথুরাপুর থানা তে অভিযোগ করতে যায় কুমারী মা কিন্তু পুলিশ কোন ডায়েরি গ্রহণ করেনি বলে এলাকার অভিযোগ। থানা থেকে ঘুরে এসে লালপুরের গ্রামবাসী বৃন্দ একত্রিত হয়ে রাস্তা অবরোধ করে গতকাল। পুলিশ এলে মহিলারা ঝাঁটা নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হন গ্রামবাসীদের বক্তব্য এই মহিলাটিকে ইকবাল পেয়াদা বিয়ে করতে হবে। পুলিশের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কথায় মথুরাপুর থানায় অভিযোগ নিতে বাধ্য হয়। বর্তমানে ইকবাল পলাতক তার খোঁজে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে বলে জানা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.