মঙ্গলকোটের কৈচর স্টেশনে নজরদারি বাড়ানোর দাবি

প্রশাসন

অভিজিৎ দাঁ,

মঙ্গলকোটের অন্যতম জনবহুল এলাকা কৈচর। এই কৈচরের উপর দিয়েই চালু হয়েছে কাটোয়া-বর্ধমান রেল পরিষেবা। আর এই রেল স্টেশনকে নিয়ে প্রশ্ন তুলছে স্থানীয়রা। সারাদিনে চলে মাত্র ছয় জোড়া ট্রেন, কোনো রকম কাজ চালানোর মতো। ট্রেনগুলিতে ভিড়ও হয় প্রচন্ড। কিন্তু হায় ! কৈচর হল্ট যেনো লুপ্ত প্রায়। স্টেশনে না আছে কোনো ভালো বসার যায়গা, না আছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বাথরুম। স্টেশেনে বসার যায়গা গুলিতে আসেপাশে বাসিন্দাদের পোষা গরু, ছাগল, ভেড়া, মুরগীদের বৈঠক খানা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাথরুমের অবস্থাও একই। কিছু দিন আগে কৈচর হল্ট রেল লাইনের উপর একটি খুন করে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। যার হদিস এখনো পাওয়া যায়নি। যদিও এটাকে এক্সিডেন্ট বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এই স্টেশনে কোনো রেল সিকিউরিটি ফোর্স নাই। তাই এই সুযোগ কে কাজে লাগাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। টিকিট কাউণ্টারে টিকিট কাটতে গিয়েও দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন যাত্রীরা। টিকিট কাউণ্টারে সরকারি ভাবে কোনো কর্মী নিয়োগ করা হয়নি। একজন কে রাখা হয়েছে কোন রকমে কাজ চালানোর জন্য। তিনি আবার বেশির ভাগ সময় থাকেন না। ফলে বহু যাত্রী টিকিট কাটার ইচ্ছা থাকলেও, বিনা টিকিটে ট্রেন যাত্রা করতে হয়। এহেন অবস্থা দেখেয় ক্ষোপ জন্মেছে স্থানিয়দের। গতকাল সকাল 10:15 ট্রেন ধরার জন্য টিকিট কাউন্টারে ভিড় হয়েছিল শতাধিকেরও বেশি মানুষের। কিন্তু কাউন্টারে টিকিট দেওয়ার কেউ ছিলনা। যখন এলেন তখন ট্রেন প্রবেশ করেছিল স্টেশনে, তাই অনেকেরই হয়নি টিকিট কাটা। শুধু কৈচর হল্ট না; আসেপাশে স্টেশনগুলিরও প্রায় একই ছবি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.