নবদ্বীপে গৌরাঙ্গ সেতুর টোল টাক্স বন্ধ, রাজস্ব ক্ষতি বাড়ছে

প্রশাসন

শ্যামল রায়,

দীর্ঘ ছয় মাস যাবত নবদ্বীপ গৌরাঙ্গ সেতু রোডের গৌরাঙ্গ টোল ট্যাক্স বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। কর্মহীন কমপক্ষে ৪০ জন শ্রমিক। কবে নাগাদ ফের টোল ট্যাক্স চালু হবে জানেন না কর্মীরাও।সেই সাথে জেলার পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা ও এই সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।জানা গিয়েছে যে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ইজারাদারের মেয়াদ শেষ হবার পর থেকে নতুন করে টেন্ডার নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেননি ইজারাদার।এর ফলে প্রতি মাসে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে সরকারের।শনিবার গৌরাঙ্গ সেতুর টোল ট্যাক্স প্রাঙ্গনে থাকা শ্রমিকরা জানালেন যে নতুন ভাবে টেন্ডার হয়েছে প্রতিদিন এক লক্ষ ২৬ হাজার টাকা করে সরকারের ঘরে জমা দিতে হবে। যিনি ইজারা নিয়েছেন তার বক্তব্য প্রতিদিন এই পরিমাণ টাকা বিভিন্ন গাড়ি মার পোদ তুলে সরকারের ঘরে জমা দেওয়া সম্ভব নয় এর উপর রয়েছে কর্মীদের মাইনা এবং আনুষঙ্গিক খরচ তাই টেন্ডার এর অংক কমানোর দাবিতে এই অচলাবস্থা চলছে দীর্ঘ ছয় মাস ধরে নবদ্বীপ গৌরাঙ্গ সেতু টোল ট্যাক্স। টোল ট্যাক্স বন্ধ থাকার কারণে সরকারের ঘরে জমা পড়ছে না প্রতিদিন প্রায় দেড় লক্ষ টাকা। সরকারের এই রাজস্ব ক্ষতির অংক এতটাই বাড়ছে যে টোল ট্যাক্স চালু না হলে আরো রাজস্ব ক্ষতি হবে সরকারের এমনটাই অভিযোগ কর্মীদের।গৌতম দেবনাথ নামে টোল ট্যাক্স এর দীর্ঘদিনের শ্রমিক জানালেন যে দীর্ঘ ছয় মাস ধরে আমরা চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছি। এখনো অন্ধকারে রয়েছি কবে নাগাদ এই টোল চালু হয় তার জন্যই দিন গুনছি। এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় যেতেও পারছিনা তাই সংসার ছেলেমেয়ে সকলকে নিয়ে একটা সংকট মায় অবস্থার মধ্যে দিন যাপন পড়তে হচ্ছে বলে আরেক শ্রমিক কৃষ্ণ ঘোষ এবং নাড়ু হাজরার মত কর্মীরা জানিয়েছেন।অথচ উত্তরবঙ্গের সাথে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম বর্ধমান হয়ে নদীয়ায় প্রবেশের আগে গৌরাঙ্গ সেতু রোড টি গুরুত্বপূর্ণ।গৌরাঙ্গ সেতু রোড হয়ে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তাই প্রতিদিন কয়েক শ প্রচুর গাড়ি যাতায়াত করে থাকে এই রোড দিয়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি এই জোর দিয়ে যা গাড়ি যাতায়াত করে ইজারাদারের অনেকটাই ভালো লাভ হয়ে থাকে। তাই নতুন করে টেন্ডার নিয়ে ইজারাদার কেন টোল চালু করছে না এ প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে? অথচ উদাসীন সরকারের আধিকারিকরা এমনটাই অভিযোগ এরপর অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে এলাকাতে। কবে নাগাদ চালু হবে এই টোল এখনো কর্মীদের কাছেও যেমন অজানা তেমনি যান বহন কারীদের কাছেও অজানা সেই সাথে এলাকার বাসিন্দারা ও অন্ধকারে রয়েছেন এই টোল চালু নিয়ে। কারণ টোল কে কেন্দ্র করে অনেক দোকানপাট চালু ছিল এখন সেসব বন্ধ হয়ে গিয়েছে তাই এলাকার বাসিন্দাদের দাবি দ্রুত যেন টোল চালু করা হয়। নবদ্বীপ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হরিদাস দেবনাথ জানিয়েছেন যে টুল টি বন্ধ রয়েছে টেন্ডার সংক্রান্ত ইজারাদারদের প্রতিদিনের রেট নিয়ে একটা সমস্যা রয়েছে তবে উদ্যোগ গ্রহণ করব টোলটি দ্রুত চালু করার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.